সংসদের সাউন্ড সিস্টেম মেরামতের নামে হরিলুট, অনুসন্ধানে দুদক

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম মেরামতের নামে হরিলুট, অনুসন্ধানে দুদক

গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের প্ল্যানারি হলে স্থাপিত সাউন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এসআইএস) পরিচালনা, মেরামত, সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযোগে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ভবনের এসআইএস সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের নামে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জাহিদুর রহিম জোয়ারদারসহ সংশ্লিষ্টরা। এছাড়াও মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ক্রয়ের মাধ্যমেও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে জাহিদুর রহিম জোয়ারদারের বিরুদ্ধে।

পেশায় জালিয়াতি, নেশায় মানবপাচার—কে এই আবু রায়হান?

পেশায় জালিয়াতি, নেশায় মানবপাচার—কে এই আবু রায়হান?

রাজধানীর উত্তরার খোদ প্রাণকেন্দ্রে বসে যেন ‘সনদ জালিয়াতির’ এক ডিজিটাল হাট খুলেছিলেন একেএম আবু রায়হান। তার প্রতিষ্ঠানের নামের মধ্যে আছে ‘প্রফেশনাল’ শব্দটি। পর্দার আড়ালে জালিয়াতিতেও তিনি ছিলেন সমান ‘প্রফেশনাল’। পঞ্চম শ্রেণি পাস সাধারণ এক গাড়িচালককে রাতারাতি ‘বিলেত ফেরত গ্র্যাজুয়েট’ বানিয়ে দেওয়া কিংবা লাখ টাকার বিনিময়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া অনার্স সনদ হাতে ধরিয়ে দেওয়া—সবই ছিল তার ইশারায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে এই ভয়ংকর জালিয়াতির আখড়া ও আন্তর্জাতিক মানবপাচার চক্রের মাস্টারমাইন্ড আবু রায়হান এখন পুলিশের খাঁচায়। নাগরিক প্রতিদিনের বিশেষ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে উত্তরার বিএনএস সেন্টারের ১১ তলায় গড়ে তোলা সেই অন্ধকার জালিয়াতির পাহাড় ও কোটি কোটি টাকার প্রতারণার রোমহর্ষক সব তথ্য।