প্রিমিয়ার ব্যাংকে লুণ্ঠনের মহোৎসবের পর্দা ফাঁস

প্রিমিয়ার ব্যাংকে লুণ্ঠনের মহোৎসবের পর্দা ফাঁস

বেসরকারি খাতের দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক পিএলসির অন্দরে এক লুণ্ঠনের মহোৎসবের পর্দা ফাঁস করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সেখানে রক্ষকই ভক্ষকের ভূমিকায়, আর প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ চেয়ারে বসে বোনা হয়েছে মানুষের আমানত লোপাটের এক মাস্টার ‘ব্লুপ্রিন্ট’। অভিযোগের তীর যার দিকে, তিনি আর কেউ নন, ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ আবু জাফর। তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, অর্থ আত্মসাৎ ও মানি লন্ডারিংয়ের দালিলিক প্রমাণ নাগরিক প্রতিদিনের হাতে এসেছে। এ যেন কোনো রোমাঞ্চকর উপন্যাসের চেয়ে কম নয়। এই মহাজালিয়াতির উৎস সন্ধানে ইতোমধ্যে উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের ‘অনুসন্ধান টিম’ মাঠে নামিয়েছে দুদক।

জন্মের আগেই বানানো হয় করদাতা!

আয়কর ফাইলে কারসাজি / জন্মের আগেই বানানো হয় করদাতা!

জাতীয় রাজস্ব ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা কতটা নড়বড়ে, তার প্রমাণ রাজধানীর কর অঞ্চল-৫, সার্কেল-৯৪। যেখানে সাধারণ মানুষের প্রতিটি অর্থের হিসাব রাখা হয়, সেখানেই রাষ্ট্রের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নথিপত্র জালিয়াতির ‘নীল নকশা’ উন্মোচন করেছে আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিট। ব্যবসায়ী সদরুল হাসান ও তার স্ত্রী উর্মি হাসানের বিরুদ্ধে উঠেছে প্রায় ৬ কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি এবং জালিয়াতির মাধ্যমে ২০ কোটি টাকার কালো টাকা সাদা করার গুরুতর অভিযোগ। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই দম্পতির বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা প্রায় ২৬ কোটি টাকার এফডিআর বর্তমানে অবরুদ্ধ রয়েছে।

কানে প্রথমবার জিতল নেপালি চলচ্চিত্র

কানে প্রথমবার জিতল নেপালি চলচ্চিত্র

বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আসর কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৯তম সংস্করণে এক অনবদ্য ইতিহাস গড়েছে নেপালের সিনেমা। তরুণ নির্মাতা অবিনাশ বিক্রম শাহের পরিচালনায় প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র এলিফ্যান্টস ইন দ্য ফগ (কুয়াশায় হাতি) কান উৎসবের অন্যতম প্রধান প্রতিযোগিতা বিভাগ ‘আঁ সর্তে রিগা’ বা ‘বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি’ শাখায় মর্যাদাপূর্ণ ‘জুরি পুরস্কার’ জিতে নিয়েছে। নেপালের ইতিহাসে এর আগে কোনো চলচ্চিত্র এই বিশ্বমঞ্চের মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হতে পারেনি এবং পুরস্কার জেতার নজিরও এবারই প্রথম। আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সমালোচকদের মতে, এই গৌরবময় অর্জন কেবল নেপালের নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার স্বাধীন ধারার চলচ্চিত্রের জন্য এক বিশাল মাইলফলক। নেপালের দক্ষিণাঞ্চলীয় তরাই সমভূমির বনাঞ্চল ঘেরা গ্রাম 'থোরি'-র পটভূমিতে নির্মিত এই ছবিটির মূল উপজীব্য সমাজের প্রান্তিক হিজড়া বা রূপান্তরিত নারী সম্প্রদায়ের যাপনচিত্র। গল্পের মূল চরিত্র ‘পীরতি’ নামের এক রূপান্তরিত নারী, যিনি নিজের চেনা সমাজ ছেড়ে ভালোবাসার মানুষের সাথে এক নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেন। কিন্তু আচমকা তাঁর সম্প্রদায়ের এক তরুণী নিখোঁজ হওয়ার পর পুরো পরিস্থিতি বদলে যায়। নিজের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এবং নিজের প্রান্তিক সম্প্রদায়ের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধের মধ্যকার চরম মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বই এই সিনেমার মূল চালিকাশক্তি।