জড়িত গৃহায়ণ সিন্ডিকেট
সরকারি সম্পত্তি দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ এবং ফ্ল্যাট বিক্রির মাধ্যমে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে ‘আল মদিনা ডেভেলপার্স’ নামের একটি কোম্পানির বিরুদ্ধে। অভিযোগ বলছে, প্রায় আড়াই কাঠা জমি অবৈধভাবে দখল করে ১০ তলা ভবন গড়ে তোলা হয়েছে। শুধু দখলই নয়—এই পুরো প্রক্রিয়ায় জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষের (জাগৃক) ভূমি শাখার উচ্চমান সহকারী নূর মোহাম্মদের প্রত্যক্ষ সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, জাগৃকের আরও কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর সহায়তা ছাড়া এ দখল ও নির্মাণকাজ সম্ভব হতো না। সরকারি সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্বে থাকা দপ্তরের ভেতরেই কীভাবে গড়ে উঠল এই ‘অভ্যন্তরীণ সখ্যতা’—তা নিয়ে উঠেছে গুরুতর প্রশ্ন।
সূত্র জানায়, সরকারি ওই আড়াই কাঠা সম্পত্তি আল মদিনা ডেভেলপার্স কোম্পানির নামে বরাদ্দ দিতে সেই সময়ে সুপারিশ করেন জাগৃকের তৎকালীন সম্পত্তি বিভাগের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা মালেকিন নাসির। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর মালেকিন নাসিরকে দিনাজপুরে শাস্তিমূলকভাবে বদলি করা হয়। মূলত, উচ্চমান সহকারী মীর নূর মোহাম্মদ, সম্পত্তি বিভাগের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা মালেকিন নাসির, আইন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান, উপপরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) মোহাম্মদ মুশফিকুল ইসলামসহ বেশকিছু কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে ওঠে বিশাল এক সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমেই নিয়ন্ত্রিত হতো জাগৃকের যাবতীয় কার্যক্রম। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এই সিন্ডিকেটের বেশ কয়েকজন সদস্যকে চাকুরিচ্যুত, গ্রেপ্তার এবং বদলি করা হলেও বর্তমান চেয়ারম্যানের অধীনে এখনো বহাল তবিয়তে চলছে এই সিন্ডিকেটের কার্যক্রম। উচ্চমান সহকারী মীর নূর মোহাম্মদ আগে ছিলেন কর্মচারী ইউনিয়ন পরিষদের আওয়ামী লীগের নেতা। রাতারাতি ভোল পাল্টে এখন হয়ে গেছেন ট্রেড ইউনিয়নের সহ-সভাপতি।
সূত্রমতে, রাজধানী ঢাকার ভেতরে যেকোনো আবাসিক এলাকায় বহুতল ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) প্ল্যান পাস করা বাধ্যতামূলক। সে অনুযায়ী মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকায় অবস্থিত সেকশন-২, ব্লক-ডি-এর ২ নম্বর সড়কের ১০ নম্বর বাড়িটির বৈধ সাড়ে সাত কাঠা সম্পত্তির ওপর বাড়ি নির্মাণের প্ল্যান পাস করা হয়। তবে, সরকারি আড়াই কাঠাসহ ১০ কাঠা সম্পত্তির ওপর কীভাবে বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছে, তা নিয়ে উঠেছে বড় প্রশ্ন। রাজউক কর্মকর্তাদের তদারকিতে গাফিলতি কিংবা যোগসাজোশে এই ভবন নির্মাণ হতে পারে বলেই মনে করছেন এলাকাবাসী।
এদিকে জানা গেছে, সম্প্রতি সরকারি ওই আড়াই কাঠা জায়গাকে কাগজে-কলমে খালি দেখিয়ে বরাদ্দ নেওয়ার পাঁয়তারা করছে আল মদিনা ডেভেলপার্স কোম্পানি। এই প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত জাগৃকের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী। প্রকৃতপক্ষে, ওই আড়াই কাঠা জমির প্রকৃত মালিক জাগৃক। সে কারণেই তাদের বরাদ্দ ছাড়া, কিংবা সরকারি ওই সম্পত্তি ক্রয় করা ছাড়া কেউ সেখানে বাড়ি বা ভবন নির্মাণ করতে পারে না বলেই একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। কিন্তু জায়গাটি দখল করে কীভাবে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করে আল মদিনা ডেভেলপার্স—তা নিয়েই উঠেছে প্রশ্ন।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, সরকারি আড়াই কাঠা সম্পত্তির কোনো প্রকার বরাদ্দপত্র ছাড়াই কিংবা ওই সম্পত্তি ক্রয় করা ছাড়াই সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে ফ্ল্যাট বিক্রি করেছে ডেভেলপার্স কোম্পানি মদিনা হাউজিং। মদিনা হাউজিংকে যেন জাগৃকের সরকারি ওই জায়গা বরাদ্দ দেওয়া না হয়, সেজন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে দেওয়া হয়েছে একাধিক অভিযোগ।
সূত্রমতে, ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জাগৃকের চেয়ারম্যান ও সচিব বরাবর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) এ সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। কিন্তু অদৃশ্য কারণে এসব অভিযোগের কোনো তদন্ত কিংবা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। ফলে রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারি সম্পত্তি গিলে খাচ্ছে ভূমিখেকো ডেভেলপার্স কোম্পানি মদিনা হাউজিং।
আমলে নেওয়া হয় না কোনো অভিযোগ
জাগৃকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকায় অবস্থিত সেকশন-২, ব্লক-ডি, রোড নং-২-এর ১০ নম্বর বাড়িটি সরকারি আড়াই কাঠা জমির ওপরে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করে বর্তমানে খালি প্লট দেখিয়ে খণ্ড জমি হিসেবে বরাদ্দ নেওয়ার দ্বারপ্রান্তে আল মদিনা ডেভেলপার্স কোম্পানি। অভিযোগে তা বন্ধ করার আবেদন জানানো হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, জাগৃকের মিরপুর জোনাল অফিস ভূমি শাখা কীভাবে ১০ তলা ভবনকে খালি প্লট দেখিয়ে সরকারি আড়াই কাঠা খণ্ড জমি হিসেবে প্লট দেওয়ার জন্য প্রতিবেদন দেয়? আল মদিনা ডেভেলপার্স কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মামুনুর রশীদ কাজল অবৈধভাবে দখল করে দীর্ঘ কয়েক বছর আগে পাশের মৃত গোলাম মোস্তফার ওয়ারিশগনের কাছ থেকে সাড়ে সাত কাঠা জমি আম-মোক্তার নিয়ে তার পাশে সরকারের প্রায় ১০ কোটি টাকা মূল্যের আড়াই কাঠা জমিসহ ১০ কাঠার ওপরে অবৈধভাবে ১০ তলা ভবন নির্মাণ করে। তারই ধারাবাহিকতায় রাকিব হাসান নামের এক ব্যক্তি দুদকসহ জাগৃকের কাছে অভিযোগ করেন। আড়াই কাঠা জমি নিয়ে এ বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বরাবর ২০২৩ সালের ৩ আগস্ট হাসমত নামক এক ব্যক্তি একটি লিগ্যাল নোটিশ দেয়। তারপরও ওই দপ্তরের ভূমি শাখা অবৈধভাবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই-বাছাই না করে অবৈধ অর্থের বিনিময়ে আল মদিনা ডেভেলপার্স কোম্পানির এমডি মামুনুর রশীদ কাজলকে খণ্ড জমি হিসেবে আড়াই কাঠা জমি বরাদ্দ দেওয়ার বন্দোবস্তের চেষ্টা করে যাচ্ছে। ওই জমির মূল্য অন্তত ১০ কোটি টাকার ওপরে, সেই জমিতে ওই দপ্তর ১০ তলা ভবনকে খালি প্লট দেখিয়ে খণ্ড জমি দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। জমি বরাদ্দের এই ফাইলটি বর্তমানে প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, অভিযোগকারীদের দায়ের করা অভিযোগগুলো ফাইল থেকে সরিয়ে ফেলেন উচ্চমান সহকারী মীর নূর মোহাম্মদ। এরইমধ্যে বেশ কয়েকজন এ বিষয়ে অভিযোগ করেছিল এবং বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। এসব পত্রিকার কপিও অভিযোগের সঙ্গে দেওয়া হয়। কিন্তু মীর নূর মোহাম্মদ বিপুল অর্থের বিনিময়ে সব অভিযোগ সরিয়ে ফেলে বরাদ্দ গ্রহীতার পক্ষে নোট দেন। ওই নোটের ওপরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভূমি শাখার খণ্ডজমি হিসেবে কীভাবে আল মদিনা কোম্পানির এমডি মামুনুর রশীদ কাজলকে বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়—এটি আরও একটি বড় প্রশ্ন।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, হাসমত নামের ওই ব্যক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফাইলটি স্থগিত থাকলেও উচ্চমান সহকারী মীর নূর মোহাম্মদ বিপুল অর্থের বিনিময়ে ডেভেলপার কোম্পানির পক্ষে খণ্ডজমি বরাদ্দ দেওয়ার জন্য পুনরায় নোট দেন। আইন অনুযায়ী, আড়াই কাঠা প্লট খণ্ডজমি হিসেবে অবৈধ ভবনের জন্য বরাদ্দ দেওয়ার কোনো বিধান নেই। তবে বিষয়টি পুনরায় তদন্ত করে প্লটটি খালি আছে কিনা—তা খতিয়ে না দেখে ভূমি শাখা কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়?
উচ্চমান সহকারী মীর নূর মোহাম্মদের যত সম্পদ
বিভিন্ন অভিযোগে জানা গেছে, স্বল্প বেতনের একজন উচ্চমান সহকারী হিসেবে কর্মরত থাকলেও মীর নূর মোহাম্মদ মিরপুরের ৬০ ফিট এলাকায় রাস্তার পাশে প্রায় এক কোটি টাকার একটি ফ্ল্যাট কিনে বর্তমানে সেখানেই বসবাস করছেন। এছাড়া মোহাম্মদপুরে রয়েছে তার একটি পাঁচতলা ভবন। তিনি তার গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের পৈত্রিক ভিটার ওপরে দুইতলা ভবনসহ নামে-বেনামে কিনেছেন কয়েক কোটি টাকার সম্পদ। এছাড়া চাঁদপুর শহরে রয়েছে তার একটি বিশাল মার্কেট।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকায় অবস্থিত বাড়িটি ১০ তলা বিশিষ্ট। পাশের ৮ নম্বর বাড়িটিই মিরপুর ম্যানশন ৫ কাঠার ওপর নির্মিত। ১০ নম্বর বাড়িটির আশেপাশের সবগুলো বাড়িই ৫ কাঠা থেকে ৭ কাঠার প্লট হলেও শুধু এই বাড়িটির আয়তন পাশের প্লটগুলোর তুলনায় বেশ বড়। ২ নম্বর রোডে অবস্থিত একাধিক বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক জানান, এই সড়কের উভয় পাশের বাড়িগুলোর অধিকাংশই ৫ কাঠার প্লট। তবে ওই বাড়িটিই সবচেয়ে বড়।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে আল মদিনা ডেভেলপার্স কোম্পানির এমডি মামুনুর রশীদ কাজলকে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে ফোন করা হলে তিনি অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করেন। তিনি নাগরিক প্রতিদিনকে বলেন, ‘অভিযোগ তো কতই দেওয়া আছে! রাজউক-এ এবং হাউজিং-এ এসব বিষয়ে অভিযোগ দেওয়া আছে। বিষয়টি রাজউক এবং হাউজিং দেখছে।
বিষয়গুলো জানতে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭টার দিকে ফোন করা হয় জাগৃকের উচ্চমান সহকারী মীর নূর মোহাম্মদকে। তিনি অভিযোগের বিষয়গুলো অস্বীকার করে বলেন, ‘এখানে আমার পোস্টিং হয়েছে মাত্র ৩ মাস। যে ঘটনাটির কথা আপনি বলছেন, সেটাতো হয়েছে আরও ৫-৭ বছর আগে। এই ফাইল নিয়ে তো অনেক আগেই অন্য কেউ কাজ করেছেন। সেখানে এই জমি বরাদ্দ দেওয়ার ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। আমি অনেক ছোট পোস্টে চাকরি করি। এখানে আমার উচ্চপদস্থ অনেকেই আছেন। এই জমি বরাদ্দ দেওয়ার আমি কেউ নই। আমার ক্ষমতা সম্পর্কে আপনি খোঁজ নিলে জানতে পারবেন, আমার ক্ষমতা অনুযায়ী এই জমি বরাদ্দ দেওয়ার আমি কেউ নই।
এ ব্যাপারে সম্পত্তি বিভাগের দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা মালেকিন নাসিরের দুটি নম্বরে বার বার ফোন করা হয়। ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে তার দুটি নম্বরই বন্ধ পাওয়া যায়। তবে ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার দুপুর ১টা ৫৭ মিনিটে ফোন করা হলে তিনি অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, জমি বরাদ্দের ব্যাপারে একক সিদ্ধান্তের কেউ নেই। আমি এ বিষয়ে কিছুই জানি না। জমি বরাদ্দ দেওয়া হলে পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়, বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বোর্ড বরাদ্দ দিয়ে থাকে। আমি অনেক ছোট একজন কর্মচারী। জমি বরাদ্দের ব্যাপারে আমি সুপারিশ করার কেউ নই।’
এ ছাড়া শুক্রবার সাড়ে বিকেল ৫টার দিকে জাগৃকের উপপরিচালক (প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) মো. মুশফিকুল ইসলামকে ফোন করা হলে তার ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন শনিবার বিকেল ৩টা ২৪ মিনিটে ফোন করা হলেও বন্ধ পাওয়া যায়।
এসব অভিযোগ সম্পর্কে জানতে জাগৃকের আইন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামানকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ২৪ মিনিটে ফোন করা হলে তিনি ১০ মিনিট পরে ফোন করতে বলেন। পরে তাকে সন্ধ্যা ৭টা ৩ মিনিটে ফোন করা হলে তিনি নাগরিক প্রতিদিনকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার জানা নেই। কোন এলাকায় কী পরিমাণ জমি আছে সেটা আইন শাখার জানার কথা নয়, এটা ভূমি শাখা বলতে পারবে। আমার মনে হয়, আপনি ভূমি শাখায় যোগাযোগ করলে তারা এ বিষয়ে আপনাকে পর্যাপ্ত তথ্য দিতে পারবে। এছাড়া অফিস সময়ে যোগাযোগ করলে ফাইল দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানাতে পারবেন।’
জাগৃকের ভূমি ও সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা উইংয়ের সদস্য এসএম সোহরাব হোসেনকে শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটের দিকে ফোন করলে তিনি বলেন, ‘এখন এ বিষয়ে আমি আপনাকে কিছু বলতে পারছি না। অফিস সময়ে ফাইল দেখে বলতে পারব। তবে এসব বিষয়ে আমরা অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে থাকি। অফিস সময়ে আপনি একদিন আসুন। আর কোনো অভিযোগ থাকলে চেয়ারম্যান বরাবর দিয়ে রাখুন, আমরা ব্যবস্থা নেব।’