পুলিশের নীরবতায় বাড়ছে ধোঁয়াশা ও ক্ষোভ!
পুলিশের এক গোপন চিঠিতে তোলপাড় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম! রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন থেকে শুরু করে ডেমরা ও সবুজবাগ থানায় আকস্মিক এক বিশেষ বার্তা পাঠিয়েছে পুলিশের সিটি স্পেশাল ব্রাঞ্চ (সিএসবি)। কিন্তু কেন এই গোপন তৎপরতা? কী আছে সেই চিঠিতে? প্রশ্ন সবার। এ ছাড়া কারো কারো বাসায় যাচ্ছে সিএসবির সদস্যরা।
সহকারী পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুজ্জামানের সই করা এই চিঠিতে নির্ধারিত ছক মোতাবেক সংশ্লিষ্ট এলাকার সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের সব ব্যক্তিগত তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠাতে বলা হয়েছে। স্পেশাল ব্রাঞ্চের এই কর্মকর্তার চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, একটি বিশেষ সূত্রের প্রেক্ষিতেই এই তালিকা তৈরি ও তথ্য সংগ্রহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এই আদেশের চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার পর থেকেই সাংবাদিক সমাজ ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ ও নানা গুঞ্জনের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, স্বাধীন দেশে কেন হঠাৎ গণমাধ্যমকর্মী আর সংস্কৃতিকর্মীদের ডেটা এভাবে সংগ্রহ করছে পুলিশ? এটা কি কোনো প্রচ্ছন্ন নজরদারি নাকি অন্য কিছু? বাসায় গিয়ে সিএসবির সদস্যদের নানা প্রশ্নে বিব্রত বোধ করছেন অনেকে।
এই চিঠির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করা হলেও পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে কাটেনি ধোঁয়াশা, বেড়েছে আতঙ্ক। রাষ্ট্রের সুরক্ষার দোহাই নাকি গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের পুরনো ছক—পুলিশের এই বিশেষ নির্দেশনার আসল উদ্দেশ্য কী? প্রশ্ন অনেকের।