চীনের ভূখণ্ডে একটি ‘ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয় বাঁধ’ ভেঙে নেপালে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের সূত্রপাত হয়েছে, কাঠমান্ডুর এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, নেপালে চীনা দূতাবাস আজ বৃহস্পতিবার এই দাবিকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
একই সঙ্গে চীনের পক্ষ থেকে নেপালকে কোনো আগাম সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি, যার ফলে বিপুল প্রাণহানি ঘটেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তাও খারিজ করে দিয়েছে তারা।
ভূতাত্ত্বিক বিপর্যয় বাঁধ মানবনির্মিত কংক্রিটের বাঁধ নয়। এটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে নদীর গতিপথে গঠিত একধরনের অস্থায়ী বা প্রাকৃতিক বাঁধ।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক বিবৃতিতে চীনা দূতাবাস জানায়, ‘২৬ আগস্ট সকালে নেপাল অংশে একটি ভূমিকম্প বা ভূমিকম্পের মতো হিমবাহ ধসের ঘটনা ঘটে।
‘এর ফলে ব্যাপক কাদা-পাথরের ধস নেমে আসে, যা জাইরং-রসুয়াগাধি সীমান্ত অঞ্চলের নেপাল ও চীন উভয় অংশেই মারাত্মক প্রাণহানি ও বিপুল সংখ্যক মানুষ নিখোঁজ হওয়ার কারণ।’
বিবৃতির শেষ অংশে চীন জোর দিয়ে উল্লেখ করে, ‘অভিযোগ কোনো সমাধান নয় এবং সহযোগিতাই জীবন বাঁচায়’।
বুধবার হিমালয় অঞ্চলে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে পানি, পলি, পাথর ও বরফসহ ধ্বংসাবশেষের ‘শক্তিশালী ঢল’ নেমে আসায় অন্তত ১৭৫ জনের মৃত্যু হয়। নিখোঁজ রয়েছেন ১ হাজার ৩০০ জনের বেশি মানুষ।
পাহাড় থেকে হঠাৎ নেমে আসা এই আকস্মিক বন্যা একের পর এক গ্রাম ভাসিয়ে নিয়ে গেছে এবং রাস্তাঘাট ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা পুরোপুরি ধ্বংস করে এক প্রলয়ংকরী ধ্বংসযজ্ঞের ছাপ রেখে গেছে।