টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় যমুনা নদীর ভাঙন ঠেকাতে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছেন পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি।
শুক্রবার (২২ মে) বেলা ১২টার দিকে সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলি এলাকার নদীভাঙন কবলিত স্থান পরিদর্শন শেষে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘যমুনা নদীর ভাঙনে প্রতি বছর নদীপাড়ের অসংখ্য মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। তাই সবার দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ এবং জনগণের স্বার্থে আগামী অর্থবছর থেকেই যমুনা নদীর ভাঙন প্রতিরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে। টাঙ্গাইলের যমুনা নদীভাঙন কবলিত এলাকাগুলো সুরক্ষায় প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, সরকার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছে। তাই যমুনার ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যেই তিনি সরেজমিনে পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসেছেন।
এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘আমরা যা বলি, তাই করি। নির্বাচনের আগে যমুনার ভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, সরকার তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।‘
তিনি আরও বলেন, ‘নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবের পাশাপাশি এ অঞ্চলের উন্নয়নে সড়ক নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়ন করা হবে এবং স্থানীয় মানুষের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।’
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক শরীফা হক, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কেন্দ্রীয় অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী মো. শাহজাহান সিরাজসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদল ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি খন্দকার আহমেদুল হক সাতিল, সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজিম উদ্দিন বিপ্লবসহ দলীয় নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, দলীয় নেতাকর্মী এবং ভাঙনকবলিত এলাকার বিপুল সংখ্যক মানুষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।