শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, আগামী দিনে মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার কমন বিষয়গুলোতে একই প্রশ্নে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই না শিক্ষায় কোনো বৈষম্য থাকুক। আগামী দিনে মাদ্রাসা ও সাধারণ শিক্ষার যেসব বিষয় কমন সেসব বিষয়ে অভিন্ন প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হবে।’
মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে সেখানেও কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ষষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে সেকেন্ডারি ও টারশিয়ারি এডুকেশনসহ পুরো শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। এ ছাড়া এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড একযোগে একই প্রশ্নে এইচএসসি পরীক্ষা দেবে।’
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭ সালের একটি মামলার কারণে সারা দেশের সাড়ে ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে প্রায় সাড়ে ৩২ হাজার বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ থমকে আছে। ফলে বহু সহকারী শিক্ষক পদোন্নতি না পেয়েই অবসরে যাচ্ছেন।’
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে আলোচনা ও ৩০০ বিধিতে আমার বক্তব্যের পর বিষয়টি আদালতের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আগামী ২ জুলাইয়ের মধ্যে আদালত এই সমস্যার সমাধান করে দেবেন। এটি হলে আগামী তিন মাসের মধ্যে আমরা আরও ৫০ হাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারব।’
এ ছাড়া শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমে এক জেলা থেকে অন্য জেলায় কর্মরত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পূর্ণ ‘অটোমেটেড’ বা স্বয়ংক্রিয় করারও ঘোষণা দেন মন্ত্রী।