টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বড় দুশ্চিন্তার নাম হয়ে উঠলেন শ্রীলঙ্কার তরুণ পেসার পাথিরানা। মাত্র চার বল করেই বাঁ পায়ে অস্বস্তি অনুভব করে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ২৩ বছর বয়সী এই গতিতারকা। ফিজিওর প্রাথমিক চিকিৎসার পর এক সাপোর্ট স্টাফের কাঁধে ভর দিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। ইনিংসের বাকি সময় আর ফিরতে পারেননি।
সোমবার পাল্লকেলে স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তৃতীয় ওভারে ঘটে এ ঘটনা। শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট এক বিবৃতিতে জানায়, বোলিংয়ের সময় বাঁ পায়ের পেশিতে অস্বস্তি টের পান পাথিরানা। চোটের প্রকৃতি নিশ্চিত করতে তাকে স্ক্যান করানো হবে। প্রাথমিকভাবে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোটের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ভালো ছিল না লঙ্কানদের। প্রথম দুই ওভারে ২৫ রান তোলে অস্ট্রেলিয়া। তৃতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে পাথিরানা প্রথম চার বলে দুটি ডটসহ খরচ করেন মাত্র তিন রান। কিন্তু চোটের কারণে ওভার শেষ করতে পারেননি। বাকি দুই বল করেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা।
ডেথ ওভারের ভরসা পাথিরানার সম্ভাব্য চোট শ্রীলঙ্কার জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে। এরই মধ্যে হ্যামস্ট্রিং চোটে আসর থেকে বাদ পড়েছেন লেগ স্পিনিং অলরাউন্ডার হাসারাঙ্গা।
পাথিরানার চোটের ধাক্কা সামলে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার করা ১৮১ রান লক্ষ্যে ৮ উইকেট ও ১২ বল হাতে রেখেই টপকে যায়। তিন ম্যাচে শতভাগ সাফল্যে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘বি’ গ্রুপের শীর্ষে আছে লঙ্কানরা। এই হারে প্রথম রাউন্ডে বাদ পড়ার আশঙ্কায় আছে অস্ট্রেলিয়া। কারণ দুই ম্যাচে দুই জয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়াকে হারানো জিম্বাবুয়ে। তিন ম্যাচে ২ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া। সমান ম্যাচে কোনো পয়েন্ট না পাওয়া ওমান রয়েছে তলানিতে।
প্রথম দুই ম্যাচ জয়ের পর এ জয় দিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে জিম্বাবুয়ের, সেখানে জয়ের ধারাবাহিকতা ধরে রাখাই এখন লক্ষ্য।