সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকোর একটি হেলিকপ্টার দেশটির পূর্ব উপকূলীয় শহর রাস তানুরায় বিধ্বস্ত হয়েছে। এতে ১৪ জন সৌদি নাগরিক নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় টম্বলেন শহরে একটি ছোট বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় বিমানের পাইলটসহ আরোহী সবাই প্রাণ হারান।
রোববার (২৮ জুন) সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ৬টার দিকে পারস্য উপসাগরের উপকূলবর্তী রাস তানুরা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। তবে হেলিকপ্টারটি কেন বিধ্বস্ত হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো কারণ জানানো হয়নি।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আরও জানায়, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।
অন্যদিকে ফরাসি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। আঞ্চলিক প্রশাসনের প্রধান (প্রিফেক্ট) ইভ সেগুই স্থানীয় সংবাদমাধ্যম বিএফএমকে জানান, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি বা ক্ষতির লক্ষণ দেখা যায়। এরপর সেটি প্রায় খাড়া অবস্থায় মাটিতে আছড়ে পড়ে।
ফ্রান্সের স্থানীয় প্রশাসন জানায়, বিমানটি একটি প্যারাশুট প্রশিক্ষণ স্কুলের ছিল। এতে একজন পাইলট, পাঁচজন শিক্ষার্থী ও পাঁচজন প্রশিক্ষক ছিলেন। দুর্ঘটনায় তারা সবাই নিহত হন। বিমানটি একটি শপিং সেন্টারের কাছাকাছি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিধ্বস্ত হলেও অল্পের জন্য বড় ধরনের প্রাণহানি এড়ানো গেছে।
সৌদির ঘটনায় আরামকোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার দুই দিন আগেই, প্রায় চার মাস বন্ধ থাকার পর শুক্রবার রাস তানুরা টার্মিনাল থেকে পুনরায় অপরিশোধিত তেল লোডিং কার্যক্রম শুরু করে আরামকো।
অন্যদিকে ফ্রান্সের দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় প্রসিকিউটরের কার্যালয় তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স