সিএনএনের প্রতিবেদন
উপসাগরীয় অঞ্চলের যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যেসব শর্ত দিয়েছেন, সে বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত তেমন কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।
শুক্রবার (২৯ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানকে অবশ্যই এই শর্তে একমত হতে হবে যে, তারা কখনই পারমাণবিক অস্ত্র বা বোমা তৈরি করবে না। এছাড়া কোনো ধরনের শুল্ক বা বিধিনিষেধ ছাড়াই হরমুজ প্রণালি অবিলম্বে উন্মুক্ত করতে হবে এবং ওই নৌপথে ইরানের পুঁতে রাখা মাইনগুলো সরাতে হবে।
এসবের বিনিময়ে ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হতে পারে বলে আভাস দেন ট্রাম্প।
চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের শর্তাবলির প্রতিক্রিয়ায় পরদিন শনিবার ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই কেবল বলেছেন, ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট তৃতীয়বারের মতো কূটনীতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছেন, এমনটাই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল।’
ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, এর আগে আলোচনার মাঝপথে দুবার তাদের ওপর হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রেজাই লিখেছেন, ‘নৌ-অবরোধ জারি রাখা এবং আলোচনায় মাত্রাতিরিক্ত দাবি করার মাধ্যমে তিনি (ট্রাম্প) আবারও প্রমাণ করেছেন, আদতে আলোচনার প্রতি তার কোনো আগ্রহ নেই, বরং তিনি অন্য কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাইছেন।’
এদিকে ইরানের আলোচনাকারী দলের সদস্য সাইদ আজোরলু বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চলছে এবং এখনো কিছু ছোটখাটো মতবিরোধ রয়ে গেছে।’