যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কিউবার অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জনগণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বেইজিং তার সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া বৃহস্পতিবার (২৮ মে) এ তথ্য জানিয়েছে।
সিনহুয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে এদিন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজের সঙ্গে এক বৈঠকে ওয়াং ই সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথা জানান।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বেইজিং বরাবরের মতো ন্যায়বিচারের পক্ষে থাকবে এবং কিউবার পক্ষে আওয়াজ তুলবে। আমরা কিউবার জনগণের ন্যায্য অধিকারের প্রতি সমর্থন জানাব এবং দেশটির অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনকল্যাণে অবদান রাখব।’
তিনি জানান, কিউবার জনগণ ‘দৃঢ়ভাবে’ তাদের অধিকার রক্ষা করছে এবং বাইরের দেশের অবরোধ ও হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে তাদের ‘অনড়’ সংকল্প প্রদর্শন করছে, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শ্রদ্ধা কুড়িয়েছে। প্রতিটি দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখা এবং ‘সব ধরনের ক্ষমতার রাজনীতি ও খবরদারির’ বিরোধিতা করা অত্যন্ত জরুরি।
এসময় কিউবার সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় চীনের ‘দৃঢ়’ সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রদ্রিগেজ।
তিনি বলেন, কিউবার এই কঠিন সময়ে পাশে থাকা এবং তাদের পক্ষে কথা বলার জন্য বেইজিং ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য।
গত ৩০ জানুয়ারি তেল আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর থেকে তীব্র জ্বালানি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে কিউবা। পাশাপাশি দেশটিতে ব্যাপক বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং ক্রমাগত লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
চীন শুরু থেকে কিউবার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের চাপের বিরোধিতা করে আসছে এবং ক্যারিবীয় দেশটির ওপর থেকে সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা ও বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছে।