খুব অল্প বয়সেই ফুটবল দুনিয়ায় নিজের জায়গা করে নিয়েছেন লামিন ইয়ামাল। মাত্র ১৫ বছর বয়সে বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেক, এরপর স্পেনের জার্সিতে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতার রেকর্ড। সব মিলিয়ে ১৮ বছর বয়সেই তিনি হয়ে উঠেছেন বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত তারকা। মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি তাই তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও আগ্রহ কম নয়।
শৈশবে মাতারোর রোকাফোন্দা মহল্লায় বেড়ে ওঠা ইয়ামালের বর্তমান ঠিকানা অবশ্য একেবারেই আলাদা। বিলাসবহুল সিউদাদ ডায়াগোনাল আবাসিক এলাকার একটি বিশাল বাড়িতে থাকেন এই তরুণ তারকা। একসময় বাড়িটির মালিক ছিলেন শাকিরা ও জেরার্ড পিকে। তাদের বিচ্ছেদের পর সেটির মালিকানা যায় ইয়ামালের হাতে।
২০১২ সালে স্থপতি মিরেইয়া আদমেতলার নকশায় তৈরি বাড়িটি তিন তলা এবং দুটি ভূগর্ভস্থ স্তর নিয়ে গড়ে উঠেছে। ৩৮০০ বর্গমিটারের বেশি জায়গাজুড়ে থাকা এই বাড়ির মূল্য ১ কোটি ইউরোরও বেশি বলে জানা গেছে।
বাড়িটিতে রয়েছে বিশাল জানালা, ঝর্ণাসহ খোলা জায়গার সুইমিং পুল, ইনডোর পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা কক্ষ, ওয়াইন সেলার, রেকর্ডিং স্টুডিও এবং ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ। আগের সাজসজ্জার অনেকটাই রেখেছেন ইয়ামাল। তবে নিজের অর্জনের ট্রফি, পুরস্কার ও স্মারক দিয়ে বাড়িটিকে নিজের মতো করে সাজিয়েছেন তিনি।
এই আবাসিক কমপ্লেক্সে মোট চারটি বাড়ি রয়েছে। এর মধ্যে একটি পিকের বাবা-মায়ের, আরেকটি শাকিরার বাবা-মায়ের এবং মূল বাড়িটি এখন ইয়ামালের। আরেকটি বাড়ির সংস্কারকাজ এখনো শেষ হয়নি। উঁচু অবস্থানে থাকা এই বাড়িগুলো থেকে বার্সেলোনা ও ভূমধ্যসাগরের দারুণ দৃশ্যও দেখা যায়।
বাড়িটি কিনতে ইয়ামালের পক্ষ থেকে প্রায় তিন মাস ধরে আলোচনা চলেছিল। তার অনুপস্থিতিতেই আইনজীবীরা প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। যে বাড়ি একসময় শাকিরা-পিকের পারিবারিক জীবনের নানা ঘটনার সাক্ষী ছিল, সেটিই এখন ১৮ বছর বয়সী ইয়ামালের সাফল্যের নতুন ঠিকানা।