আইপিএলের লিগ পর্ব শেষ হওয়ার আগেই জমে উঠেছে প্লে-অফের হিসাব-নিকাশ। একদিকে যেমন কয়েকটি দল শেষ চার প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে, অন্যদিকে কিছু দল এখনো টিকে আছে শুধুই সমীকরণ আর অন্যদের হারের আশায়। সবমিলিয়ে শেষ মুহূর্তে এসে টুর্নামেন্টে উত্তেজনা পৌঁছেছে চরমে।
রোববার পাঞ্জাব কিংসকে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। তবে বাকি তিনটি জায়গার জন্য এখনও লড়াই করছে সাতটি দল। এখন পর্যন্ত বিদায় নিশ্চিত হয়েছে শুধু মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ও লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টসের।
সবচেয়ে স্বস্তিতে আছে গুজরাট টাইটান্স। শুবমান গিলের দল শেষ দুই ম্যাচের একটি জিতলেই নিশ্চিত করবে প্লে-অফ। এমনকি দুটি ম্যাচ হারলেও তাদের সুযোগ পুরোপুরি শেষ হবে না। পয়েন্ট ও নেট রানরেটে এগিয়ে থাকায় শীর্ষস্থান নিয়েও লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে গুজরাট।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদও নিজেদের ভাগ্য নিজেদের হাতেই রেখেছে। বাকি দুই ম্যাচ জিতলে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে সহজেই প্লে-অফে চলে যাবে তারা। এমনকি সেরা দুইয়েও থাকার সুযোগ থাকবে। একটি জয় পেলেও ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সম্ভাবনা উজ্জ্বল থাকবে।
অন্যদিকে আরসিবির কাছে হেরে কঠিন অবস্থায় পড়েছে পাঞ্জাব কিংস। শেষ ম্যাচ জিতলেও তাদের পয়েন্ট হবে ১৫। তাই শুধু নিজেদের জয়ে হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ম্যাচের দিকেও।
রাজস্থান রয়্যালসের অবস্থাও চাপের। শেষ পাঁচ ম্যাচে চার হারলেও এখনও টিকে আছে দৌড়ে। বাকি দুই ম্যাচ জিততে পারলে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সরাসরি প্লে-অফে উঠে যাবে তারা। তবে একটি হার মানেই নেট রানরেটের জটিল হিসাব।
চেন্নাই সুপার কিংসের সমীকরণও প্রায় একই। শেষ দুই ম্যাচ জিতলে সম্ভাবনা শক্ত থাকবে, কিন্তু একটি হার এলেই অন্য দলের ফলাফলের ওপর নির্ভর করতে হবে।
কলকাতা নাইট রাইডার্সের জন্যও সামনে ‘ডু অর ডাই’ পরিস্থিতি। সর্বোচ্চ ১৫ পয়েন্ট পাওয়ার সুযোগ থাকায় শেষ দুই ম্যাচেই জয়ের বিকল্প নেই। তাদের ভাগ্য নির্ধারণে নেট রানরেট বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
সবচেয়ে কঠিন অবস্থানে আছে দিল্লি ক্যাপিটালস। হাতে মাত্র একটি ম্যাচ। ফলে সর্বোচ্চ ১৪ পয়েন্টেই শেষ করতে পারবে দলটি। তাই বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী কয়েকটি দলের হারও প্রার্থনা করতে হবে দিল্লিকে।
সূত্র - এনডিটিভি