নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের পেস আক্রমণ ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। নাহিদ রানা আর মোস্তাফিজুর রহমান মিলেই যেন ব্ল্যাক ক্যাপদের ব্যাটিং লাইনআপকে বারবার চাপে ফেলেছেন। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জয়ের পথে এই দুই পেসার একাই তুলে নিয়েছেন ১৩ উইকেট। তার মধ্যে ৮ উইকেট নিয়ে সিরিজ সেরার পুরস্কারও জিতে নেন নাহিদ রানা।
ওয়ানডে সিরিজের পর টি-টোয়েন্টি মঞ্চে এবার অবশ্য ভিন্ন চিত্র। মোস্তাফিজ ও রানাকে এই সিরিজে বিশ্রামে রেখেছে বাংলাদেশ দল। তবে স্বস্তিতে থাকার সুযোগ খুব একটা নেই নিউজিল্যান্ডের জন্য। কারণ স্কোয়াডে এবার জায়গা পেয়েছেন একেবারেই নতুন দুই পেসার, রিপন মন্ডল এবং আব্দুল গাফফার সাকলাইন। অভিষেক না হওয়া এই দুই বোলারকে নিয়েই এখন কিছুটা অজানা ভয় কাজ করছে সফরকারীদের মধ্যে।
আগামী ২৭ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ। পরের দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২৯ এপ্রিল এবং ২ মে।
ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে নিউজিল্যান্ডের লেগ স্পিনার ইশ সোধি বাংলাদেশের পেস আক্রমণ নিয়ে খোলাখুলি প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘মোস্তাফিজ ও নাহিদ গত সিরিজে যেভাবে বল করল… তারা ছিল ভিন্ন ধরনের চ্যালেঞ্জ। তবে এটা নতুন দল, নতুন চ্যালেঞ্জ। মোস্তাফিজের বিরুদ্ধে আগে খেলা হয়েছে তাই পুরনো বোলারদের ব্যাপারে কৌশল সাজানো যায়। কিন্তু এখন তো পুরো নতুন অ্যাটাক।’
বাংলাদেশের দলে পরিবর্তনের ধারাও চোখ এড়ায়নি সোধির। পঞ্চপান্ডব যুগ শেষ হওয়ার পর এখন দলে তরুণদের ভিড়। সেই বাস্তবতা মাথায় রেখেই তিনি বলেন, ‘যখন প্রথম এসেছিলাম (বাংলাদেশে) ২০১৩ সালে, তখন তাদের দলটা পুরো ভিন্ন ছিল। এখন অনেকেই নতুন এসেছে। বাংলাদেশ এখন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। তবে ২০১৩ সালের দলের কেউই এখন নেই। তাই ভালো চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। অনেকে হয়ত দলে আছে যারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখনো খেলেনি। তবে এটাই খেলাধুলার সৌন্দর্য। পরিবর্তন হতে থাকবেই। বাংলাদেশ এই কন্ডিশনে সব সময় চ্যালেঞ্জিং দল। আমরা এই চ্যালেঞ্জের জন্য মুখিয়ে আছি। আমরা এশিয়াতে প্রচুর ক্রিকেট খেলেছি। আশা করি আমাদের তরুণরাও মানিয়ে নিতে পারবে।’