পূর্বাচলের বিশাল খোলা জায়গার স্বপ্নটা এখনো স্পষ্ট হয়ে ওঠেনি। অনেকদিন ধরেই আন্তর্জাতিক মানের আরেকটি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের কথা শোনা যাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে তার অগ্রগতি একেবারেই মন্থর। তবুও থেমে নেই পরিকল্পনা, থেমে নেই আলোচনা।
আজ শনিবার সেই স্বপ্নের জায়গাটাতেই গেলেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক, সঙ্গে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল ও বোর্ডের আরো কয়েকজন সদস্য। স্টেডিয়ামের জমি ঘুরে দেখা, পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলা; সবমিলিয়ে দিনটি ছিল ভবিষ্যতের একটি কাঠামো কল্পনা করার দিন।
পরিদর্শন শেষে তামিমের কথায় স্পষ্ট, এখনো অনেক কিছু ঠিক করার বাকি। তিনি বলেন, ‘আজকে মাননীয় মন্ত্রী (ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী) এসেছেন, আমরা আজকে পুরো ডিজাইনটা তাকে শো করেছি, প্রেজেন্ট করেছি। এখানে কিছু পরিবর্তন জরুরি। পরিবর্তন করব শুধু পরিবর্তন করার জন্য না। কিছু কিছু ডিজাইন পরিবর্তন করা জরুরি।’
এই স্টেডিয়াম শুধু ক্রিকেটের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না,এমন ইঙ্গিতও দিলেন তিনি। জায়গাটা বড়, সম্ভাবনাও তাই বড়। তামিম বলেন, ‘এটা অনেক বড় একটা প্রোপাটি। এখানে আমাদের চেষ্টা থাকবে ক্রিকেটের সাথে সাথে মাননীয় মন্ত্রী বললেন কিছু কিছু স্পোর্টসকে আমরা যদি যুক্ত করে নিতে পারি তাহলে আমাদের স্পোর্টসের জন্য ভালো হবে। টাকার দিক থেকে ক্রিকেট বোর্ডের অবস্থান হয়তবা অন্য অনেক বোর্ডের চেয়ে ভালো। আমাদেরও দায়িত্ব অন্য স্পোর্টসকে দেখাশোনা করা।’
অর্থাৎ, এটি শুধু একটি স্টেডিয়াম নয়, ভবিষ্যতে এটি হতে পারে একটি বহুমুখী ক্রীড়া কেন্দ্র। যেখানে এক ছাদের নিচে জায়গা পাবে একাধিক ইভেন্টের।
তবে স্বপ্ন বড় হলে চ্যালেঞ্জও বড়। বিশেষ করে অর্থায়ন। তামিম সোজাসাপ্টা জানালেন, পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকারের বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘যারা আমাদের এটার ডিজাইন করেছেন তাদের সাথে আলোচনা করবো। অন্য কারোর সাথে যদি কথা বলার দরকার তাদের সাথে আলোচনা করে এনএসসির সাথে একসাথে মিলে। কারণ এখানে সরকারের অনেক বড় ইনভেস্টমেন্টের দরকার পড়বে যদি আমরা একটা বড় স্টেডিয়াম করতে চাই।’