বন্যা পরিস্থিতি
দেশের ২ জেলায় কুশিয়ারা নদীর দুটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়া সুরমা, কুশিয়ারা, সোমেশ্বরী ও তিস্তা নদীর কয়েকটি স্টেশনে পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি রয়েছে।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকাল ৯টার তথ্যের ভিত্তিতে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, বর্তমানে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত স্টেশন রয়েছে দুটি। দুটি স্টেশনই কুশিয়ারা নদীর। এর মধ্যে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ৩৪ সেন্টিমিটার এবং সুনামগঞ্জের মারকুলি পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
একই সময়ে পর্যবেক্ষণাধীন ১২৭টি পানি সমতল স্টেশনের মধ্যে ৬৮টিতে নদ-নদীর পানি বেড়েছে, ৫৬টিতে কমেছে, দুটি স্টেশনে অপরিবর্তিত রয়েছে এবং একটি স্টেশনের তথ্য সংগ্রহ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর পানি সমতলে মিশ্র প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ দেশের বিভিন্ন স্থানে নদ-নদীর পানি কোথাও বাড়ছে, কোথাও আবার কমছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের উজানে সর্বোচ্চ ১০৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে ভারতের মেঘালয়ের আর কে এম সোহরায়। একই সময়ে বাংলাদেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে।
এদিকে কয়েকটি নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সুনামগঞ্জের ছাতকে সুরমা নদী, সিলেটের শেরপুরে কুশিয়ারা নদী, নেত্রকোণার কলমাকান্দায় সোমেশ্বরী নদী এবং তিস্তা নদীর নীলফামারীর ডালিয়া, রংপুরের কাউনিয়া ও গাইবান্ধার হরিপুর পয়েন্ট।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।