বুধবার (৩ জুন) বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক), সঞ্চালন ও খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি এ তথ্য জানায়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এর আগে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক) ও খুচরা মূল্যহার, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিবিপিএলসি) সঞ্চালন মূল্যহার এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (বাপবিবো), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) ও নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) খুচরা মূল্যহার সমন্বয়ের জন্য কমিশনে প্রস্তাব জমা দেয়। এসব প্রস্তাবের ওপর গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এরপর প্রস্তাবগুলোর বিষয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত ঘোষণার কথা জানায়।
জানা যায়, গণশুনানিতে বিপিডিবি প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য এক টাকা ২০ পয়সা থেকে দেড় টাকা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়। সেই সঙ্গে এটি সতর্ক করে বলেছে, এই মূল্য সমন্বয় না করা হলে বিদ্যুৎ খাতে আর্থিক ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।
তবে কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট এক টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে। কমিটি এও বলেছে, প্রস্তাবিত মূল্য সমন্বয়ের ফলে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের বিদ্যুৎ ভর্তুকি ১৩ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে।