রাজধানীর উত্তরা দিয়াবাড়ি পশুর হাটে আনা হয়েছিলো হাজারো পশু। নির্ধারিত জায়গা ছাড়িয়ে কোরবানির এসব পশু জায়গা করে নিয়েছিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ও মূল সড়কে। যত্রতত্র ট্রাক দাঁড় করানো আর বাঁশের ঘের দিয়ে পশু রাখায় তীব্র যানজট ও চরম ভোগান্তিতে পড়েছিলেন পথচারী ও মেট্রোরেল যাত্রীরা।
যাত্রীদের এমন ক্ষোভ ও ভোগান্তির খবরে নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অভিযান চালিয়ে স্টেশনের নিচ থেকে পশু সরিয়ে দেয় এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করে। দিয়াবাড়ি পশুর হাট পরিদর্শনে এসে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, মেট্রোর নিচে হাটের জন্য কোনো ইজারা দেওয়া হয়নি। ভারী বৃষ্টির কারণে কিছু ব্যবসায়ী কেবল সাময়িক আশ্রয় নিয়েছিলেন।
পশুর হাটকে কেন্দ্র করে দিয়াবাড়ি মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে যে চরম বিশৃঙ্খলা আর নোংরা পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল, অবশেষে তা থেকে মুক্তি পেয়েছেন যাত্রীরা। ঢাকা উওর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে পুরোপুরি পরিষ্কার করা হয়েছে হাটের কারণে জমে থাকা সব ময়লা আবর্জনা। সাধারণ মানুষ বলছে, মেট্রো স্টেশনের পরিবেশ আগের চেয়ে অনেকটা ভালো হয়েছে।
কয়েকদিন আগেও যেখানে গোবর ও মলমূত্রের দুর্গন্ধে যাত্রীদের হাঁটা দায় ছিল, আজ সেই মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে ফিরেছে চিরচেনা পরিচ্ছন্ন রূপ। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে পশুর হাটের সব আবর্জনা পরিষ্কার হওয়ায়, এখন পুরোপুরি স্বস্তিতে যাতায়াত করছেন মানুষ। তবে পশুর হাট বসানোর জন্য দায়িদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হলো- জানতে চান অনেকে।