সুপ্রিম কোর্টের অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের সাত ডেপুটি ও ১১ সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগকে রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে পরে শুধু দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন উল্লেখ করে দুঃখজনক বলে আখ্যায়িত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। মঙ্গলবার (২৩ জুন) এসব পদত্যাগের প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ।
অ্যাটর্নি জেনারেল বাসসকে বলেন, ‘রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন দুঃখজনক। পদত্যাগের কারণ হিসেবে ১৮ আইন কর্মকর্তার উল্লেখ করা বক্তব্য তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রকাশ। তাদের পদত্যাগপত্রের বক্তব্য প্রমাণ করে তারা তাদের পেশাদারিত্বে অবিচল ছিলেন না।’
মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘আমি মনে করি রাষ্ট্রের এরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠাকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার।’
এ সময় পদত্যাগ করা ১৮ আইন কর্মকর্তারই জামায়াতে ইসলামীর সাথে সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে, মঙ্গলবার সাত ডিএজি ও ১১ এএজি তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরা সবাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
পদত্যাগ করা ৭ ডিএজি হলেন, অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল করিম, অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট গোলাম রহমান ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম।
পদত্যাগ করা ১১ জন এএজি হলেন, অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েছ রানা, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির তানিম, অ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, অ্যাডভোকেট জোয়াদুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামসিল আরেফিন, অ্যাডভোকেট মাহাবুবা আক্তার রলি, অ্যাডভোকেট নূর নবী উজ্জ্বল, অ্যাডভোকেট আল রেজা আমির, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।