জুনে কিছুটা কমলেও টানা তিন মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি আছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে, গত জুন মাসে মূল্যস্ফীতি কমে হয়েছে ৯.১৬ শতাংশ। গত মে মাসে ছিল ৯.৪২ শতাংশ, যা ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের পরে, অর্থাৎ ১৬ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি। এ ছাড়া টানা দুই মাস ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের বেশি আছে।
সোমবার (৬ জুলাই) জুন মাসের মূল্যস্ফীতির চিত্র প্রকাশ করেছে বিবিএস।
বিবিএসের হিসাব অনুসারে, গত জুন মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮.৬০ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি হয় ৯.৬১ শতাংশ। গ্রাম-শহর নির্বিশেষে সার্বিক মূল্যস্ফীতি এখন ৯ শতাংশের বেশি। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে (জুলাই-জুন) গড় মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৮.৬৮ শতাংশ।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব মূল্যস্ফীতিতে পড়েছে। এর ফলে সীমিত ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো খরচের চাপে আছে। গত এপ্রিল ও মে মাসে দুই দফা জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে এবং মে মাসের শেষ সপ্তাহে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে পরিবহন খরচ থেকে শুরু করে পণ্যের উৎপাদন খরচ বাড়ে। ফলে ভোক্তাদের আগের চেয়ে বেশি দামে পণ্য কিনতে হয়। এছাড়া বাজারে শাকসবজি, মাছ-মাংসের দাম বেড়েছে। বাড়তি চালের দামও।