টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক আবজাউল আলমের বিরুদ্ধে সাধারণ গ্রাহককে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এমন একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ভুক্তভোগী গ্রাহক দাবি করছেন, তিনি তার শিক্ষা সনদ এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের বানান অনুসারে পাসপোর্টের আবেদন করেছেন। যেহেতু তার সকল কাগজপত্রে মায়ের নামের বানান এক, তাই তিনি সেটি সঠিক বানান বলে দাবি করেছেন। অপরদিকে ওই কর্মকর্তা তার উচ্চারণগত কারণ দেখিয়ে গ্রাহকের মায়ের নামের বানান ভুল বলে সেটি সংশোধন করে আসতে বলছেন।
এ ঘটনার পর আবজাউল আলমের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী জুনাইদ হাসান। শুধু জুনাইদ হাসান আবজাউল আলমের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের নানাভাবে হয়রানির অভিযোগ করেছেন আরও অনেকে।
আনিসুর রহমান নামের আরেক ভুক্তভোগী বলেন, ‘আমি পাসপোর্ট করতে গিয়েছিলাম। যাওয়ার পর আমার কাগজপত্র ঠিক নাই বলে আবজাউল আলমের আমাকে তিন দিন ঘুরিয়েছিল। পরে এক হাজার টাকার বিনিময়ে দালালের মাধ্যমে পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন দিয়েছি তখন কাগজপত্র ঠিক হয়ে গেছে। এই হলো টাঙ্গাইল পাসপোর্ট এর অফিসের বর্তমান অবস্থা।’
মহসিন খান নামের অপর একজন জানান, টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ গ্রাহকের এরকম হয়রানি প্রতিনিয়ত করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের উচিত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এই কর্মকর্তাকে কঠোর বিচারের আওতায় আনা।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবজাউল আলম বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার যে বক্তব্য তার খন্ডিত অংশ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে সেবা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে কিন্তু সেটা ভিডিও অংশ প্রকাশ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘থানায় যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে তার সঙ্গে বাস্তবে কোনো মিল নেই। উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য আমার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে।‘