বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর আনন্দঘন আবহে ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস সেজে উঠেছিল নতুন রঙে, নতুন প্রাণে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়টির কালচারাল ক্লাব আয়োজিত অনুষ্ঠানে দিনব্যাপী উৎসবমুখর পরিবেশে মিলিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাবেক শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী। তিনি বলেন, ‘পহেলা বৈশাখ শুধু একটি তারিখ নয়, এটি আমাদের শিকড়ের সঙ্গে পুনরায় সংযুক্ত হওয়ার একটি দিন। একটি বিশ্ববিদ্যালয় কেবল জ্ঞান বিতরণের কেন্দ্র নয়, এটি সংস্কৃতি ও মানবিক মূল্যবোধ লালনের জায়গাও বটে।’ এ সময় তিনি নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে সবার সুখ, সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর মো. শামসুল হুদা তার বক্তব্যে বলেন, ‘নববর্ষ আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে বাঙালি সংস্কৃতি কতটা সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময়। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে আমাদের শিক্ষার্থীরা যে সাংস্কৃতিক চেতনার পরিচয় দিচ্ছে, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. আবুল বাশার খান নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা যারা আগামীর বাংলাদেশ গড়বে, তারা যেন নিজেদের ঐতিহ্যকে সঙ্গী করেই সামনে এগিয়ে যাও।’
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন বিভাগের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। উৎসবের আয়োজনে ছিল বর্ণিল বৈশাখী মেলা, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ফ্ল্যাশ মব, বায়োস্কোপ, নাগরদোলা এবং বাহারি খাবার ও হস্তশিল্পের স্টল। ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত শিক্ষার্থীদের উচ্ছল উপস্থিতি পুরো ক্যাম্পাসকে দিয়েছিল উৎসবের এক অনন্য আমেজ।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল-ফাহাদ। সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ও প্লেসমেন্টের উপ-পরিচালক কে.এম. মনিরুল ইসলাম।