মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টরের ক্রমবর্ধমান সংকটে পড়েছে। এর ফলে ইরানে বর্তমান হারে হামলা চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাকারীরা।
ফক্স নিউজের আজ শনিবারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের মজুত ছিল প্রায় ২ হাজার ৩০০টি। বর্তমানে তা কমে ৮২৭টিরও নিচে নেমে এসেছে।
একইভাবে টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড) ব্যবস্থার ইন্টারসেপ্টরের মজুতও ৪৫২টি থেকে কমে ২৭৮টির নিচে নেমে গেছে।
সিএসআইএস সতর্ক করে বলেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ মজুত পুনর্গঠন করতে অন্তত তিন বছর সময় লাগতে পারে।
ভবিষ্যতে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলসহ অন্য কোথাও নতুন কোনো সংকট দেখা দিলে বিদেশে অবস্থানরত মার্কিন সেনা ও সামরিক স্থাপনাগুলো রক্ষার সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে ফক্স নিউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
এই ঘাটতি পূরণে ২০২৬ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত ৬৭ বিলিয়ন ডলারের জরুরি তহবিলের মধ্যে ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দের পরিকল্পনা করেছে পেন্টাগন।
এই অর্থ দিয়ে নতুন প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর, নৌবাহিনীর টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং থাড ব্যবস্থা কেনা হবে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সামরিক বাহিনীর ২০২৭ অর্থবছরের প্রাথমিক বাজেট প্রস্তাবে চাওয়া অস্ত্রের প্রায় অর্ধেকই এমন গোলাবারুদ, যার প্রতিটির মূল্য ৬ লাখ ডলার বা তার কম।