রাশিয়ার নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ইরানি ‘মস্কিটো ফ্লিট' বা ‘মশা নৌবহরের’ প্রশংসা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। গত রোববারের এ বৈঠকে তিনি বলেছেন, ইরান মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের ময়দানে তাদের নতুন প্রযুক্তির এই নৌবহর নামিয়ে ব্যাপক সফলতা অর্জন করেছে।
রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা স্পুতনিকের প্রতিবেদনের বরাতে আজ মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা।
বৈঠকে পুতিন বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধক্ষেত্রে কী ঘটছে, তা দেখুন। ইরান তাদের এই মশা নৌবহর ব্যবহার করে যুদ্ধের ময়দানে বেশ সফলতা ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে।
‘এটি মূলত নতুন প্রযুক্তি। আমাদের কাছেও আকারে ছোট, কিন্তু অত্যাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত এমন যুদ্ধজাহাজ রয়েছে।’
স্পুতনিক জানিয়েছে, ইরানের তথাকথিত ‘মশা নৌবহরে’ রয়েছে প্রায় ২০টি গাদির শ্রেণির ছোট সাবমেরিন এবং কয়েক হাজার দ্রুতগতির ক্ষেপণাস্ত্র ও হামলাকারী নৌযান।
হালকা ও অত্যন্ত দ্রুতগতির এসব নৌযান ইরানের পাথুরে উপকূলজুড়ে নির্মিত সুড়ঙ্গগুলোতে লুকিয়ে রাখা যায়। ফলে দূরপাল্লার অস্ত্র ব্যবহার করেও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে এগুলো ধ্বংস করা কঠিন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
২৪-২৬ জুলাই হরমুজ অতিক্রম করে ২৯টি জাহাজ
সামুদ্রিক তথ্য পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান মেরিন ট্রাফিকের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে মোট ২৯টি জাহাজ চলাচল করেছে।
এর মধ্যে ২১টি জাহাজ প্রণালি ছেড়ে বেরিয়ে গেছে। আটটি জাহাজ প্রণালিতে প্রবেশ করেছে।
তুলনামূলকভাবে একই সময়ে বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে ১০০টি জাহাজ চলাচল করেছে। এর মধ্যে ৫১টি জাহাজ লোহিত সাগরে প্রবেশ করেছে। ৪৯টি জাহাজ সেখান থেকে বেরিয়ে গেছে।