ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছয় দিনব্যাপী শেষকৃত্যানুষ্ঠানে ৪ কোটি ১০ লাখ থেকে ৪ কোটি ৩০ লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রেস টিভি খামেনির শেষযাত্রাকে বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শোকযাত্রা বলে উল্লেখ করেছে।
গত শনিবার (৪ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে খামেনির মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হলে হাজারো মানুষ সেখানে জড়ো হন। সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয়ভাবে শেষকৃত্যের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। তেহরান, কোম, নাজাফ, কারবালা ও মাশহাদ, এই পাঁচটি শহরে শেষকৃত্যের বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়।
শেষকৃত্যে ইরানের আঞ্চলিক মিত্র সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। এর মধ্যে ছিল গাজার হামাস ও ইসলামিক জিহাদ, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ইয়েমেনের হুতি আন্দোলনের প্রতিনিধি দল।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় তেহরানে নিজ বাসভবনে নিহত হওয়ার চার মাসের বেশি সময় পর ইরানের সবচেয়ে পবিত্র শিয়া ধর্মীয় স্থান মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.) মাজার প্রাঙ্গণে খামেনিকে দাফন করা হয়।