যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহ আজ শুক্রবার সকালে তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে আনা হয়েছে। সেখানে প্রয়াত এই শীর্ষ নেতা ও তার স্বজনদের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শোকাতুর মানুষের ঢল নামে।
ফেব্রুয়ারির ২৮ তারিখে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর দিন তেহরানে বিমান হামলায় প্রাণ হারান আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি, তার স্ত্রী, পুত্রবধূ, নাতনিসহ পরিবারের আরও বেশ কয়েকজন সদস্য।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, তেহরানের ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে সারিবদ্ধভাবে রাখা কফিনগুলোর মধ্যে রয়েছে খামেনির জামাতা মেসবাহ-অল-হোদা বাঘেরি, বড় মেয়ে সাইয়্যেদে বোশরা হোসেইনি খামেনি, পুত্রবধূ জহরা হাদ্দাদ আদেল ও তার ১৪ মাস বয়সী নাতনি জহরা মোহাম্মদি গোলপায়গানির মরদেহ। প্রতিটি কফিন ইরানের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, ইমাম খোমেনি গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে আসা অতিথিদের মধ্যে আফগানিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা আছেন।