ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে যাওয়া বিদেশি প্রতিনিধিদের মধ্যে চীন, ভারত ও পাকিস্তানের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গতকাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, খামেনির মৃত্যুতে ‘শোক জানাতে’ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরান সফর করবেন।
পাকিস্তান বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত অবসানে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কাজ করছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, জানাজায় বেইজিংয়ের প্রতিনিধিত্ব করবেন দেশটির শীর্ষ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও জ্যেষ্ঠ সংসদীয় কর্মকর্তা হে ওয়ে।
এদিকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটির পক্ষে জানাজায় যোগ দেবেন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রী পবিত্র ও বিহারের রাজ্যপাল সৈয়দ আতা হাসনাইন।
সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৪ জুলাই থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শোকমিছিল, জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান ইরানি প্রশাসনের জন্য অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি দেশের ভেতরে স্থিতিশীলতা ও ঐক্যের বার্তা দেওয়ার বড় সুযোগ।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই বলেছেন, তেহরান আশা করছে, জানাজায় ‘বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান, সংসদের স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, সরকারের বিশেষ দূত, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন গণপ্রতিনিধিসহ প্রায় ১০০টি দেশের অতিথি উপস্থিত থাকবেন’।
তবে জানাজায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও জর্জিয়ার প্রেসিডেন্ট মিখাইল কাভেলাশভিলি ছাড়া আর কোনো দেশের শীর্ষ নেতার অংশ নেওয়ার সম্ভাবনা কম।
জানাজায় অংশ নিতে যাওয়া বেশিরভাগ দেশই ভারত ও চীনের মতো তাদের সরকারপ্রধান বা রাষ্ট্রপ্রধানদের পাঠানোর পরিবর্তে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের পাঠাচ্ছে।
এছাড়া আফগানিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানে উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছে সিএনএন।