পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আগামী ৯ মে শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড বা গড়ের মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়াকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (৬ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে ভোট-পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘ফলাফল ঘোষণার পর আমাদের দুজন বিজেপি কর্মী নিহত হয়েছেন। তবে তৃণমূল জিতলে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতো। আমরা আমাদের শাসনামলে তৃণমূলের মতো শাসনব্যবস্থা অনুসরণ করব না। কোনো ধরনের সহিংসতাকেই হালকাভাবে নেওয়া হবে না।’
আগামী শনিবার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীও। শপথ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও কেন্দ্রীয় নেতা নিতিন নবীন উপস্থিত থাকবেন।
এ মুহূর্তে সবার মনে একটাই জিজ্ঞাসা, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে কে বসতে যাচ্ছেন?
ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে ধরাশায়ী করার পর মুখ্যমন্ত্রীর দৌড়ে এখন পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারীর নামই সবচেয়ে জোরালোভাবে উঠে আসছে।
তবে তার পাশাপাশি শমীক ভট্টাচার্য (রাজ্যসভা সাংসদ ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি), উৎপল ব্রহ্মচারী (উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জ থেকে জয়ী) ও স্বপন দাশগুপ্তের (রাশবিহারী থেকে জয়ী) নামও শোনা যাচ্ছে।
এদিন নন্দীগ্রাম থেকে শুভেন্দু অধিকারী জানান, আগামী ১০ দিনের মধ্যে তার দুটি নির্বাচনী আসনের মধ্যে একটি ছেড়ে দেবেন তিনি।
বিজেপির এই নেতা বলেন, ‘আমি ১০ দিনের মধ্যে একটি আসন ছেড়ে দেব। কোন আসনটি নিজের কাছে রাখব, তা দল ঠিক করবে। ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের মানুষের প্রতি আমার দায়িত্বের কথা আমি ভুলে যাব না।’
শুভেন্দু বলেন, বিজেপি এমনভাবে সরকার পরিচালনা করবে, যাতে বাংলায় তাদের শাসন আগামী ১০০ বছর স্থায়ী হয়।
একইসঙ্গে ভবিষ্যতে দলের ভোটের হার ৪৬ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৬০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।