যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম ৪ ডলারের দোরগোড়ায় পৌঁছালেও এ নিয়ে তেমন একটা চিন্তিত নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম যতটা বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল, বাস্তব পরিস্থিতি ‘অতটা খারাপ নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
হোয়াইট হাউসে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এ মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ট্রাম্প এমন সময়ে এই মন্তব্য করলেন, যখন অনেক আমেরিকান তাদের পারিবারিক বাজেট মেলাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের চড়া দামের কারণে তারা নিত্যপ্রয়োজনীয় এবং অন্যান্য খরচ কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি ভেবেছিলাম তেলের দাম আরও বাড়বে এবং শেয়ার বাজারে আরও বড় ধস নামবে। কিন্তু পরিস্থিতি আমি যা ভেবেছিলাম তার ধারেকাছেও নেই।’
‘আমার মনে হয়, আমেরিকান প্রেসিডেন্ট এবং এই টেবিলের চারপাশে যারা বসে আছেন, তাদের ওপর জনগণের আস্থা আছে,’ যোগ করেন তিনি।
আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের (এএএ) তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন সাধারণ পেট্রোলের গড় দাম এখন ৪ ডলারের কাছাকাছি (৩ দশমিক ৯৮১ ডলার)। এক মাস আগের তুলনায় এই দাম ১ ডলার বেশি।
আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রিপাবলিকানদের জন্য এটি বড় রাজনৈতিক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প ভবিষ্যদ্বাণী করে বলেন, তেলের দাম ‘হয়তো আরও কিছুটা বাড়তে পারে’। তবে তিনি এও বলেন, ‘সবকিছু আবার আগের জায়গায় ফিরে আসবে, এমনকি আগের চেয়েও কমতে পারে।’