পারস্য উপসাগরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখলে ট্রাম্প প্রশাসন যখন মার্কিন সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা করছে, ঠিক তখনই পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইরানের সেনাবাহিনীর স্থল ইউনিটের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী জাহানশাহী বলেছেন, ‘শত্রুদের অবশ্যই জানা উচিত, একটি স্থলযুদ্ধ তাদের জন্য আরও বেশি বিপজ্জনক, ব্যয়বহুল এবং অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হবে।’
ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএর বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে সিএনএন।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাহানশাহী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সীমান্তে শত্রুর প্রতিটি পদক্ষেপ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং আমরা যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত। ইরানের ভূখণ্ডের প্রতিটি ইঞ্চি সুরক্ষিত।’
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির সম্ভাব্য অবনতি নিয়ে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহের নিউজ তাদের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আমেরিকানদের ওপর ‘কঠোর আঘাত’ হানতে ইরানের বিশেষ বাহিনী এবং গেরিলা ইউনিটগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী পুনরায় উন্মুক্ত করতে ইরানকে বাধ্য করার কৌশল হিসেবে ট্রাম্প প্রশাসন খারগ দ্বীপে মার্কিন সেনা পাঠিয়ে তা দখলের কথা ভাবছে।
মার্কিন গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে পরিচিত একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, সম্ভাব্য মার্কিন অভিযান ঠেকাতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরান খারগ দ্বীপে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার এবং বিভিন্ন মরণফাঁদ পেতে রাখছে।
তবে মার্কিন কর্মকর্তা ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, এ ধরনের স্থল অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি রয়েছে, যার ফলে বিপুল সংখ্যক মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটতে পারে।