ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুদ্ধে নিহত ইরানিদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে ইরান বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না। বিশেষ করে মিনাব শহরের ঘটনার ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি প্রযোজ্য।
সেখানে একটি স্কুলের কাছে মার্কিন হামলায় ১৭৫ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৬৮ জনই শিশু।
মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলায় নিহত হন। এরপর তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
দায়িত্ব নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রথমবারের মতো রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে জাতির উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন মোজতবা খামেনি; যা পড়ে শোনান একজন সংবাদ পাঠক।
বার্তায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সতর্ক করে বলেন, তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য অবশ্যই ‘ক্ষতিপূরণ’ দিতে হবে।
তবে তিনি সরাসরি দেশ দুটির নাম উল্লেখ না করে তাদের ‘শত্রু’ হিসেবে সম্বোধন করেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘আমরা শত্রুর কাছে ক্ষতিপূরণ চাইব। যদি আমরা তা আদায় করতে না পারি, তাহলে তারা আমাদের যতটা সম্পদ ধ্বংস করেছে, আমরাও তাদের ততটা সম্পদ ধ্বংস করব।’
খামেনি আরও সতর্ক করেন, প্রতিশোধ হিসেবে ইরান প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখবে।
তিনি বলেন, ‘এই ১৫টি প্রতিবেশী দেশের সবার সঙ্গেই আমাদের সুসম্পর্ক ছিল। আমরা কেবল (সেখানে থাকা) সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছি এবং আমাদের এটি চালিয়ে যেতে হবে।’
‘আমাদের প্রিয় মাতৃভূমির ওপর আক্রমণকারী এবং আমাদের জনগণের হত্যাকারীদের বিষয়ে এই দেশগুলোকে অবশ্যই তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে,’ যোগ করেন সর্বোচ্চ নেতা।
প্রতিবেশী দেশগুলোর প্রতি তাদের ভূখণ্ডে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো ‘যত দ্রুত সম্ভব’ বন্ধ করে দেওয়ার আহ্বান জানান খামেনি।
তথ্যসূত্র: বিবিসি, সিএনএন