জিতলেই নিশ্চিত সুপার এইটের টিকিট! কিন্তু কানাডা যেভাবে ব্যাটিং করেছে, প্রথম ইনিংস শেষে কিউইদের ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত নিউজিল্যান্ডকে হারাতে ব্যর্থ হয় কানাডা। দারুণ জয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে ড্যারিল মিচেলরা। কিউইদের জয়ে বিদায় নিশ্চিত হলো আফগানিস্তানের।
প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান সংগ্রহ করে কানাডা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে রাচিন রবীন্দ্র ও গ্লেন ফিলিপসের দারুণ ব্যাটিংয়ে ২৯ বল ও ৮ উইকেট হাতে রেখে জয় তুলে নেয় কিউইরা।
চেন্নাইতে টস জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় কানাডা। ইনিংসের উদ্বোধন করতে নেমে দলকে উড়ন্ত সূচনা উপহার দেন যুবরাজ শর্মা ও দিলপ্রীত বাজওয়া। দুজনেই করেছেন দারুণ ব্যাটিং। কিউই বোলারদের কোনো সুযোগই দেননি তারা। তাদের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ১১৬ রান। ৩৯ বলে ৪ বাউন্ডারিতে ৩৬ রান করে বাজওয়া ফিরলে সেই জুটি ভেঙে যায়।
তবে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি ঠিকই তুলে নেন যুবরাজ। মাত্র ৬৫ বলে ১১ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় খেলেন ১১০ রানের অসাধারণ এক ইনিংস। শেষের দিকে কানাডার ব্যাটাররা ঝড় তুলতে না পারায় ১৭৩ রানে থামে তাদের ইনিংস।
নিউজিল্যান্ডের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন ম্যাট হ্যানরি, জ্যাকব ডাফি, কাইল জেমিসন ও নিশাম।
ব্যাট হাতে ভালো করতে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ৩০ রানের মধ্যে দুই ওপেনার টিম সেইফার্ট ও ফিন অ্যালেনকে হারায় তারা। তবে পুরো বোলিং ইনিংসে কানাডার সাফল্য এতটুকুই। এরপর বাকি গল্প রাচিন ও ফিলিপসের। কানাডার বোলারদের কোনো সুযোগই দেননি তারা।
দলকে জিতিয়েই মাঠ ছেড়েছেন রাচিন ও ফিলিপস। দুজনেই তুলে নেন ফিফটি। ৩৯ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত ছিলেন রাচিন। ম্যাচ সেরা ফিলিপসের ব্যাট থেকে আসে ৩৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রানের ইনিংস।