বিশ্বকাপের ঠিক আগ মুহূর্তে ক্লাব ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় আছেন মার্কাস রাশফোর্ড। বর্তমানে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে ধারে বার্সেলোনায় খেলছেন এই ২৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। কিন্তু তাকে পাকাপাকিভাবে কাম্প ন্যুতে রেখে দেওয়ার বিষয়টি এখনো ধোঁয়াশায়, কারণ দুই ক্লাবের মধ্যে দলবদলের অঙ্কে কোনো সমঝোতা হয়নি।
চুক্তি অনুযায়ী, ২৬ মিলিয়ন পাউন্ডে রাশফোর্ডকে স্থায়ীভাবে দলে নিতে পারে বার্সেলোনা। বর্তমানে তারা তার পুরো বেতন বহন করলেও আগামী মৌসুমে সেই বেতন কাঠামো আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে। ইউনাইটেড যদি চ্যাম্পিয়নস লিগে জায়গা করে নেয়, তাহলে রাশফোর্ডের সাপ্তাহিক বেতন বেড়ে দাঁড়াবে ৩ লাখ ১৫ হাজার পাউন্ডে। বার্সেলোনা এই বেতনে কিছুটা ছাড় চাইলেও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড নিজেদের অবস্থানে অনড়। এই কেনা-বেচার সময়সীমা শেষ হবে বিশ্বকাপ শুরুর মাত্র চার দিন আগে।
চলতি মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে দারুণ ফর্মে আছেন রাশফোর্ড। ১২টি গোল ও ১৩টি অ্যাসিস্ট করে লা লিগায় দলকে রিয়াল মাদ্রিদ থেকে ৯ পয়েন্টে এগিয়ে রাখতে বড় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। চ্যাম্পিয়নস লিগেও দলকে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলেছিলেন, যদিও পরে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের কাছে হেরে বিদায় নিতে হয়।
গত জানুয়ারিতে রুবেন আমোরিম বরখাস্ত হওয়ার পর ইউনাইটেডে রাশফোর্ডের ফেরার সম্ভাবনা আরও কমে গেছে। ক্লাবটি এখন ক্যাসেমিরো ও জেডন সাঞ্চোর মতো উচ্চ বেতনের খেলোয়াড়দের ছাড়ার মাধ্যমে খরচ কমানোর চেষ্টা করছে। রাশফোর্ডের বিশাল বেতনও তাদের জন্য বড় চাপ।
তবে বিকল্প পথও খোলা আছে। বার্সেলোনা যদি তাকে স্থায়ীভাবে না নিতে পারে, তাহলে আরও এক বছরের জন্য ধারে রাখার প্রস্তাব দিতে পারে। আর সেটা না হলে প্রিমিয়ার লিগের অন্য ক্লাবও আগ্রহ দেখাতে পারে।
অন্যদিকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। কোচ ক্যারিক নিশ্চিত করেছেন, তাদের স্কোয়াডে একজন লেফট-সাইডেড ফরোয়ার্ড দরকার। গুঞ্জন আছে, লাইপজিগের ইয়ান দিওমান্দের দিকে নজর রাখছে ক্লাবটি।