মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের আবহেও জিয়ান্নি ইনফান্তিনো স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ইরান জাতীয় ফুটবল দলের অংশগ্রহণ নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই।
তার মতে, ইরান ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে এবং সেই অধিকার তাদের রয়েছে। তাই রাজনৈতিক উত্তেজনা থাকলেও মাঠের লড়াই থেকে তাদের দূরে রাখার কোনো পরিকল্পনা নেই ফিফার।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে শুরুতে অংশগ্রহণ নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছিল। বিশেষ করে যেহেতু ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। তাই নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে উদ্বেগও তৈরি হয়েছিল।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ইরানের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো যুক্তরাষ্ট্রে হওয়ার কথা থাকায় পরিস্থিতি আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তবে ফিফার অবস্থান পরিষ্কার, খেলোয়াড়দের মাঠে নামার অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
এর আগে নিরাপত্তাজনিত কারণে ইরান ম্যাচ ভিন্ন দেশে সরানোর প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু সেটি ফিফা গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে।
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো আরও বলেন, ‘খেলাধুলা কখনোই রাজনীতির অংশ হওয়া উচিত নয়। ফুটবল মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার একটি শক্তিশালী মাধ্যম, বিভাজনের নয়।’