২৯৯টি আসনে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এদিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হয়। পরে গণনা শেষে রাত থেকে বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন নানা বয়সী প্রার্থী। এদের মধ্যে যেমন একাধিকবারের সাবেক সংসদ সদস্য, সাবেক মন্ত্রী, প্রবীণ রাজনীতিকরা ছিলেন, তেমনি অনেক তরুণ প্রার্থীও লড়েছেন।
বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, বিজয়ীদের মধ্যে এবার সবচেয়ে বেশি বয়সী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। আর সবচেয়ে কম বয়সী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) হান্নান মাসউদ।
ইসি সূত্রও জানিয়েছে, এ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি বয়সী প্রার্থী হিসেবে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা অনুযায়ী, কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী খন্দকার মোশাররফের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর। সেই হিসাবে তার বর্তমান বয়স ৭৯ বছর ৪ মাস। এবারের নির্বাচনে তিনি এক লাখ ৪১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৮৪৫ ভোট।
এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন খন্দকার মোশাররফ। সে সময় তিনি ৯৬ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন।
অন্যদিকে হলফনামা অনুযায়ী, এনসিপি প্রার্থী হান্নান মাসউদের জন্ম ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি। সেই হিসাবে বর্তমানে তার বয়স ২৬ বছর ১ মাস। আর তিনিই হচ্ছেন এই নির্বাচনে সবচেয়ে কম বয়সী বিজয়ী প্রার্থী।
নোয়াখালী–৬ (হাতিয়া) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন হান্নান মাসউদ। তিনি ভোট পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট।
হান্নান মাসউদ অভ্যুত্থান পরবর্তী সময় এনসিপিতে যোগ দেন এবং ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি সম্মুখসারির নেতা হিসেবে পরিচিতি পান।