চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দেশে ও দেশের বাইরে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আদালতের চূড়ান্ত রায় না হওয়া পর্যন্ত এসব সম্পদ অবরুদ্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। রায় পাওয়ার পর সম্পদের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে দুদকের উপ-পরিচালক আকতারুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।
চট্টগ্রাম বন্দরে কর্ণফুলী নদীর ড্রেজিং প্রকল্পসহ বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ এসেছে দুদকের কাছে। যেখানে বন্দরের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তার নাম রয়েছে।
একইভাবে মোংলা বন্দরে এক হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার পশুর চ্যানেল সংরক্ষণ ড্রেজিং প্রকল্পেও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগ তদন্তে প্রাথমিকভাবে চার সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠন করেছে দুদক। এরইমধ্যে বিভিন্ন দপ্তরে চিঠি দেওয়া শুরু করেছে সংস্থাটি।