দীর্ঘ সময় ধরে ঢালিউড চলছে শাকিব খান নির্ভর হয়ে। এতে করে বাংলাদেশের সিনেমা শিল্পের নানা সংকট সামনে চলে আসছে।
ঠিক এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে সম্প্রতি ঢালিউডে শাকিব খানের বিকল্প নিয়ে প্রচুর আলোচনা হচ্ছে। সিনেমার বাজারকে ‘শাকিবময়’ অবস্থা থেকে বের করে আনার জন্য পর্দার আড়ালে এক বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার সাফল্যের পর থেকেই ঈদের সিনেমা মানেই যেন শাকিব খান, এই ধারনাটি আরও শক্তিশালী হয়। অন্যদিকে সিঙ্গেল স্ক্রিনগুলোতে অন্য কোনো নায়কের সিনেমা সেভাবে জায়গাও পায় না। ফলে অন্য নায়কের সিনেমা দর্শক পাচ্ছে না।
এদিকে শাকিব খানও সবাইকে শিডিউল দিতে পারছেন না, কারণ তিনি বর্তমানে নতুন পরিচালকদের সুযোগ দিতে বেশি আগ্রহী।
২০২৩ সালের পর থেকে শাকিবের যতগুলো সিনেমা মুক্তি পেয়েছে, সেখানে রায়হান রাফী ও হিমেল আশরাফ দুবার করে শিডিউল পেলেও বাকিরা পেয়েছেন মাত্র একবার করে। একজন পরিচালকের মূল কাজই হলো ফিল্ম মেকিং; তাই শাকিবের শিডিউল না পেলে তারা বসে থাকতে পারেন না। প্রযোজকদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি একই।
এখন এই অবস্থা থেকে বের হওয়ার উপায় হলো শাকিব খানকে ছাড়াই বানিজ্যিক সিনেমা নির্মাণ করা।
এক কথায়, শাকিবের বিকল্প তৈরি এবং শিল্পী সংকট কাটাতে ইন্ডাস্ট্রির সবাই এখন ব্যস্ত। তবে এই মুহূর্তে তার সমকক্ষ কাউকে তৈরি করা প্রায় অসম্ভব। যদি তা সম্ভব করতে হয়, তবে দুটি পথ অবশিষ্ট রয়েছে, তা হলো প্রথমত শাকিবকে দিয়ে ভালো গল্পের প্রলোভন দেখিয়ে মানহীন সিনেমা বানিয়ে তার ব্র্যান্ড ভ্যালু কমিয়ে দেওয়া অথবা নতুনদের দিয়ে তার চেয়েও সেরা পারফরম্যান্স বের করে আনা।
তবে শাকিব খানের বিকল্প আদৌ তৈরী হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।