টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশের অতিরিক্ত প্রায় ৪২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়নের প্রয়োজন হবে বলে সরকারের হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশলের পর্যালোচনায় উঠে এসেছে। রোববার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) ও এসডিজি অর্থায়ন বিষয়ক জাতীয় ভ্যালিডেশন’ কর্মশালায় এ তথ্য জানানো হয়।
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এই কর্মশালার আয়োজন করে।
কর্মশালায় ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স অ্যাসেসমেন্ট (ডিএফএ) প্রতিবেদনের ফলাফল ও সরকারের হালনাগাদকৃত এসডিজি অর্থায়ন কৌশল পর্যালোচনা করা হয়। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত এই বিশ্লেষণ কাঠামো জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে অর্থায়ন নীতি, প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক প্রবাহের কার্যকর সমন্বয়ে সহায়তা করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ‘এসডিজি বাস্তবায়নের অবশিষ্ট সময় অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। অর্থায়নের বড় ঘাটতি, সীমিত সময় ও বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও বাংলাদেশ এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অর্থবহ অগ্রগতি অর্জন করতে সক্ষম হবে।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারল ফ্লোর-স্মেরজনিয়াক বলেন, ‘বৈশ্বিকভাবে উন্নয়ন অর্থায়নের সুযোগ সংকুচিত হলেও কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধি এবং বেসরকারি খাতকে এসডিজি-সামঞ্জস্যপূর্ণ বিনিয়োগে উৎসাহিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশের নিজস্ব অর্থায়ন সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।’
সভাপতির বক্তব্যে ইআরডির অতিরিক্ত সচিব এ. এইচ. এম. জাহাঙ্গীর বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতিকালে একটি সমন্বিত ও বাস্তবভিত্তিক অর্থায়ন পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’