৪১তম এজিএম
আইডিএলসি ফাইন্যান্স পিএলসি’র ৪১তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশনা অনুসারে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে এটি আয়োজিত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার আলোকে আইডিএলসি পরিচালনা পর্ষদ ২০২৫ অর্থবছরের জন্য ১৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (শেয়ার প্রতি ১.৫০ টাকা) এবং ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রস্তাব করেন, যা এজিএমে অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডাররা অনুমোদন করেন।
বার্ষিক সাধারণ সভায় উপস্থিত ছিলেন আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদ সাত্তার, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান আখতার আহমেদ, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান ওয়াসিফুল হক, পরিচালক কাজী মাহবুব মাসুদ ও মোঃ জাকির হোসেন এবং স্বতন্ত্র পরিচালক ও অডিট কমিটির চেয়ারম্যান নূর-উন-নাহার ও স্বতন্ত্র পরিচালক মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমান। এছাড়াও কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম জামাল উদ্দিন, গ্রুপ চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার মাসুদ করিম মজুমদার এবং গ্রুপ কোম্পানি সেক্রেটারি আবুল ফজল মোহাম্মদ রুবাইয়াত।
সভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও অংশগ্রহণকারী শেয়ারহোল্ডারদের স্বাগত জানান এবং তাদের অব্যাহত আস্থা ও সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান।
আইডিএলসি ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদ সাত্তার বলেন, ‘দেশের আর্থিক খাত এমন একটি পর্যায় অতিক্রম করছে, যেখানে শুধু ব্যবসায় টিকিয়ে রাখতে পারাই যথেষ্ট নয়। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এখন তাদের বাজারভিত্তিক পূর্বপ্রস্তুতি ও দূরদর্শিতার মানদণ্ডে মূল্যায়ন করা হয়। ২০২৫ সালে আইডিএলসি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও মূলধনের সঠিক উপযোগিতা লাভে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে নিজেদের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে যথোপযুক্ত খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে। এই এজিএমে অনুমোদিত লভ্যাংশ আমাদের সেই ভারসাম্য বজায় রাখা এবং পরিবর্তনশীল বাজারে আত্মবিশ্বাস ধরে রাখার সক্ষমতারই প্রতিফলন।’
আইডিএলসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এম জামাল উদ্দিন বলেন, ‘গত বছরে আমরা ব্যবসার কাঠামোগত মানোন্নয়নের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছি। কার্যসক্ষমতা বাড়ানো এবং সুশৃঙ্খল পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আইডিএলসি এখন আরও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। এটি নিঃসন্দেহে ইতিবাচক, কারণ গ্রাহক ও অংশীজনেরা এখন এমন আর্থিক অংশীদারই সন্ধান করেন, যারা নির্ভরযোগ্য প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা নিশ্চিতের পাশাপাশি কার্যকর পরামর্শ সেবাও দিতে সক্ষম।’