জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সুন্দরবন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর ৬৬ কেন্দ্রে বিশেষ গোয়েন্দা ও ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহলসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে একটি উৎসব মুখর ভোটের পরিবেশ সৃষ্টির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে কোস্টগার্ড।
শবিবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে কোস্টগার্ডের (ঢাকা) মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, ‘প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কোস্টগার্ড দেশের সুবিশাল সমুদ্র, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি জনগণের জানমালের নিরাপত্তা রক্ষায় বিভিন্ন ধরণের অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে কোস্টগার্ড উপকূলবাসীর নিকট আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে কোস্টগার্ড বদ্ধপরিকর। এ নির্বাচন উপলক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি মোতায়েন হয়ে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী কোস্টগার্ড দায়িত্বাধীন উপকূলীয় নদী তীরবর্তী দুর্গম এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে।
এরই ধারাবাহিকতায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের আওতাধীন খুলনা-০১, খুলনা-৬ ও পিরোজপুর-৩ আসনের দাকোপ, কয়রা এবং মঠবাড়িয়া উপজেলার নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকাসমূহে ১৬টি ইউনিয়নের ৬৬টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে।
এছাড়া একটি জবাবদিহিমূলক, জনকল্যাণমুখী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একই দিনে গণভোটের আয়োজন করেছে। নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা দমনে কোস্টগার্ড সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে জনগণের জানমালসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে।
একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ সৃষ্টিতে কোস্টগার্ড জাতির নিকট প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং তার দায়িত্ব পালনে সদা তৎপর থাকবে।’