মাগুরা সদর উপজেলায় ফিরোজ বিশ্বাস (৩০) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হলেও ঘটনাটি ঘিরে রহস্যের অভিযোগ তুলেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা। তারা মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৭ জুলাই) দিনগত রাতে উপজেলার ঘোবডাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালে পাঠায়।
নিহত ফিরোজ বিশ্বাস চাঁদপুর গ্রামের বিশারদ বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় করিমনচালক ছিলেন।
নিহতের বাবা বিশারদ বিশ্বাস জানান, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে তার মেয়ের স্বামী বাড়িতে আসেন। ফিরোজ দুলাভাইকে আনতে বাড়ি থেকে বের হন। রাত সাড়ে ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে দুলাভাইকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে ফেরার কথা থাকলেও গভীর রাত পর্যন্ত তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। শনিবার সকালে বাদশা নামে এক ব্যক্তি খবর দেন, ঘোবডাঙ্গা এলাকায় ফিরোজের মরদেহ পড়ে রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ফিরোজ অত্যন্ত কষ্ট করে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে সংসার চালাতেন। ঘটনাটি তাদের কাছে রহস্যজনক মনে হচ্ছে। তাই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।
ঘটনাস্থলে থাকা তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আতাউল গনি বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফিরোজের মৃত্যু হয়েছে।
মাগুরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তদন্তের ভিত্তিতেই পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’