পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাঁদপুরের খামারিরা। এরই মধ্যে হাটে বিক্রির জন্য বিশালাকৃতির দুটি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন খামারী মো. সাখাওয়াত হোসেন। তার ষাঁড় দুটির মধ্যে একটির নাম ‘শাহরাস্তি কিং-১’। এটির ওজন ২২ মণ। অপরটির নাম ‘শাহরাস্তি কিং-২’। এর ওজন ২০ মণ। এই জোড়া কিংয়ের দাম হাঁকানো হচ্ছে ১৩ লাখ টাকা।
খামারি মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান, শাহরাস্তি উপজেলায় সবচেয়ে বড় গরু তার খামারে। এ জন্য সবচেয়ে বড় প্রিজিয়ান জাতের দুটো ষাঁড়ের নাম রাখা হয়েছে শাহরাস্তি কিং-১ ও শাহরাস্তি কিং ২। খামার থেকে বের হয়ে মুক্ত পরিবেশ পেলেই ষাঁড় দুটি ছুটতে শুরু করে। এই দুটির ছাড়াও তার খামারে শাহী ওয়াল ও গির জাতের আরও ১৫টি গরু রয়েছে। খামারের গরুগুলো লালন-পালনের জন্য রয়েছেন ৫ জন শ্রমিক।
সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘দেশীয় ঘাস, খড়, খৈলসহ দানাদার খাবার খাওয়ানো হয়। বাজারের প্রয়োজনী পন্যের দামও বেড়েছে। গরুর ওজন হারে বাজারমূল্যের চেয়েও কম ধরা হয়েছে। ষাঁড় দুটি একসঙ্গে ১৩ লাখ টাকা দাম চেয়েছি। আশা করি ন্যায্য দাম পাব।’
খামারের শ্রমিকরা জানান, এক বছর ধরে গরুগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে দিনে দুইবার শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করানো হয়। দেহের পুষ্টি বাড়াতে দেশি ঘাসসহ ভুসি ও খৈল খাওয়ানো হচ্ছে।
জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জ্যোতিময় ভৌমিক বলেন, ‘এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা ধরা হয়েছে ৭৫ হাজার ২৪৮টি। ঘাটতি রয়েছে ৯ হাজার ১৫০টি পশুর। তবে ঈদের আগে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা পাশের জেলাগুলো থেকে গবাদিপশু নিয়ে এলে চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। এ জন্য জেলায় প্রায় দুই শতাধিক পশু কেনাবেচার জন্য হাট বসবে। শুধু হাটে নয়, অনলাইনেও অনেক খামারি গরু বেচা-কেনা করবেন।’