সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের সামরিক নীতি প্রতিরক্ষামূলক থেকে আক্রমণাত্মক অবস্থানে রূপান্তর করার কথা জানিয়েছে ইরানের সেনাবাহিনী। তারা বলেছে, ১২ দিনের (২০২৫ সালে ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ) এবং ৪০ দিনের (সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত) যুদ্ধ চলাকালে সমরনীতিতে ধীরে ধীরে এই পরিবর্তন আনা হয়।
ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া আজ শনিবার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বলেন, ‘অতীতে আমাদের দেশের সামরিক নীতি ছিল আত্মরক্ষামূলক।
‘তবে ওই দুটি যুদ্ধ চলাকালে আমাদের সামরিক নীতিকে প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান থেকে আক্রমণাত্মক রূপ নিতে দেখা গেছে।’
ইরানের সেনাবাহিনীর এই কর্মকর্তা জোর দিয়ে বলেন, আক্রমণাত্মক নীতি মানেই আগ বাড়িয়ে হামলা চালানো নয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ার আগেই জর্ডানে একটি মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে যুদ্ধের একপর্যায়ে ইরান এমন কৌশল নিয়েছিল বলে তিনি জানান।
আকরামিনিয়া দাবি করেন, ওই হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের সরঞ্জাম, স্থাপনা ও সামরিক সদস্যদের ‘গুরুতর ক্ষতি’ হয়।
তিনি বলেন, আক্রমণাত্মক সমরনীতির অন্যান্য দিকের মধ্যে রয়েছে যেকোনো হামলার তাৎক্ষণিক জবাব দেওয়া। আর ইরানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া প্রথম হামলার চেয়েও ব্যাপক হতে পারে।
ইরানের সেনাবাহিনীর এই মুখপাত্রের ভাষ্য, পুরোপুরি প্রতিরক্ষামূলক নীতি থেকে আক্রমণাত্মক নীতিতে পরিবর্তনের বিষয়টি যুদ্ধে দ্রুত ও ব্যাপক পাল্টা হামলা এবং আগাম অভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয়।