ফিলিস্তিনিদের জীবনে নাকবা শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, এটি বহু পরিবারের প্রতিদিনেরই বাস্তবতা। ঘর হারানো, প্রিয়জন হারানো, শরণার্থী জীবনে বেঁচে থাকা, এই দীর্ঘ যন্ত্রণার ইতিহাসের মধ্যেও কিছু মানুষ আছেন, যারা অবিশ্বাস্য দৃঢ়তায় জীবনকে আঁকড়ে রেখেছেন এখনো। এমনই এক নারীর গল্প তুলে ধরেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।
সেই নারী হলেন ফাতিমা উম্মে সিদ্দিকী, একজন সাধারণ ফিলিস্তিনি নারী, যার জীবনজুড়ে আছে যুদ্ধ, নির্বাসন, মৃত্যু আর অপেক্ষার দীর্ঘ ছায়া। কিন্তু সবকিছুর পরও তিনি বিশ্বাস হারাননি। ভেঙে পড়েননি। বরং উল্টো অন্যদের সাহস জুগিয়ে গেছেন বছরের পর বছর।
ফাতিমার জন্ম সেই ফিলিস্তিনে, যে ভূখণ্ড ১৯৪৮ সালের নাকবার পর হাজার হাজার মানুষের মতো তার পরিবারকেও উচ্ছেদের মুখে ঠেলে দেয় দখলদার ইসরায়েলিরা। নাকবা অর্থ বিপর্যয়। সেই বছর ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় প্রায় সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি নিজেদের ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন। বহু গ্রাম মুছে যায় মানচিত্র থেকে। ফাতিমার পরিবারও সেই বাস্তুচ্যুত মানুষের ভিড়ে একসময় শরণার্থী শিবিরে গিয়ে ঠাঁই নেয়।