বিবিসির প্রতিবেদন
পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে দীর্ঘসময় ধরে আলোচনার পর সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স হরমুজ প্রণালি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। অথচ বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহনের এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ ছিল আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির বড় অংশ জুড়ে ছিল এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রোববার (১২ এপ্রিল) ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলোচনা শেষে ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হাজি বাবাই বলেছেন, ‘এই প্রণালি তেহরানের কাছে একটি অলঙ্ঘনীয় সীমা। এই প্রণালি পুরোপুরি ইরানের নিয়ন্ত্রণেই আছে এবং এর মধ্য দিয়ে যাতায়াতের জন্য ইরানি মুদ্রা রিয়ালে টোল পরিশোধ করতে হবে।’
এর আগের দিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি ‘দ্রুতই খুলে দেওয়া হবে’।
গতকাল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, ইরানের পাতা মাইন মুক্ত করার বৃহত্তর অভিযানের অংশ হিসেবে নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে।
তবে ইরান এই দাবি অস্বীকার করে বলেছে, মার্কিন কোনো জাহাজ ওই এলাকা অতিক্রম করেনি।
বার্তা সংস্থা এএফপির বরাতে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানায়, ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, কোনো সামরিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে অতিক্রমের চেষ্টা করলে তার কঠোর জবাব দেওয়া হবে।