২০ দল নিয়ে চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্ব শেষ হয়ে গেছে। শিরোপার লড়াইয়ে থাকা দলের সংখ্যা এখন নেমে এসেছে আটে। অস্ট্রেলিয়াসহ ১২ দল গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়েছে। আজ শুরু হচ্ছে সুপার এইটের লড়াই। গ্রুপপর্বে পারফরম্যান্স দিয়ে ছাপ রেখে গেছেন বেশ কয়েকজন ব্যাটার ও বোলার।
একনজরে গ্রুপ পর্ব শেষে সেরা ব্যাটার ও বোলাররা
১) সাহিবজাদা ফারহান: গ্রুপ পর্বের ৪ ম্যাচে ১৬৪.১৭ স্ট্রাইক রেটে ৭৩.৩৩ গড়ে সর্বোচ্চ ২২০ রান করেছেন পাকিস্তানের এই ওপেনিং ব্যাটার। টুর্নামেন্টে এখনো পর্যন্ত হওয়া ৩টি সেঞ্চুরির মধ্যে একটি তার। আছে একটি ফিফটিও।
২) পাথুম নিশাঙ্কা: ১৯৯ রান নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন নিশাঙ্কা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরিও করেছেন তিনি। ৬৬.৩৩ গড়ে রান করা নিশাঙ্কার স্ট্রাইকরেট ১৫৬.৬৯।
৩) কুশল মেন্ডিস: নিশাঙ্কার পাশাপাশি টপ অর্ডারের আরেক ব্যাটার কুশল মেন্ডিসের ব্যাটেই সুপার এইটে পৌঁছেছে শ্রীলঙ্কা। সেঞ্চুরি না পেলেও তিন ফিফটিতে ১৮২ রান করেছেন তিনি।
৪) এইডেন মার্করাম: ৪ ম্যাচে ৫৯.৩৩ গড় ও ১৮৭.৩৬ স্ট্রাইকরেটে ১৭৮ রান করেছেন মার্করাম। কোনো সেঞ্চুরি করতে না পারলেও ২টি ফিফটি হাঁকিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক।
৫) ইশান কিশান: সেরা ৫ ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো স্ট্রাইকরেট ইশান কিশানের; ২০২.২৯। অভিষেক শর্মার ব্যর্থতা ভালোই পুষিয়ে দিচ্ছেন তিনি। ৪ ম্যাচে এখনো পর্যন্ত ১৭৬ রান এসেছে তার ব্যাটে।
সেরা ৫ বোলার
১) এস সি ভ্যান শাল্কউইক: ৪ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে সবার ওপরে আমেরিকার এস সি ভ্যান শাল্কউইক। যদিও এই সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ আর তার সামনে নেই। এরই মধ্যে সুপার এইটে ওঠার লড়াইয়ে বাদ পড়েছে তারা।
২) বরুণ চক্রবর্তী: শাল্কউইকের পরের ৪ বোলারেরই আছে সমান ৯টি করে উইকেট। তবে ইকোনমি রেট সবার চেয়ে ভালো ভারতের বরুণ চক্রবর্তীর। ৪ ম্যাচে ১২ ওভার করে মাত্র ৫.১৬ হারে রান দিয়েছেন তিনি। ৭ রানে একবার শিকার করেছেন ৩ উইকেট।
৩) ব্লেসিং মুজারাবানি: ৩ ম্যাচে ৯ উইকেট নিয়েছেন মুজারাবানি। জিম্বাবুয়েকে সুপার এইটে ওঠানোর অন্যতম নায়কের ইকোনমি রেটও ছয়ের নিচে; ৫.৯১। ১৭ রানে ৪ উইকেট তার সেরা ফিগার।
৪) এমএ লিস্ক: বাংলাদেশ শেষ পর্যন্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলায় ভাগ্য খুলেছিল স্কটল্যান্ডের। দল ভালো করতে না পারলেও বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন লিস্ক। ৪ ম্যাচে ৭.৬২ ইকোনমিতে নিয়েছেন ৯ উইকেট।
৫) আজমাতুল্লাহ ওমারজাই: এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পড়ে আফগানিস্তান। তবে ব্যাটের পাশাপাশি বল হাতে দুর্দান্ত ছিলেন ওমারজাই। ৮.২৪ ইকোনমিতে ৪ ম্যাচে ৯ উইকেট নেন এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার।