২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ হতেই শুরু হয়েছে ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা। অনেকের ধারণা, আয়োজক দেশ হওয়ায় আর্জেন্টিনাকে আর বাছাইপর্ব খেলতে হবে না। তবে বাস্তবতা এতটা সহজ নয়।
২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে উদ্বোধনী পর্বের কিছু ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতেও। এ কারণে এই তিন দেশও আয়োজক হিসেবে টুর্নামেন্টে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পাচ্ছে।
তবে কনমেবল অঞ্চলের বাছাইপর্বের ভবিষ্যৎ কাঠামো নিয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কনমেবল সভাপতি আলেহান্দ্রো দোমিঙ্গেজ জানিয়েছেন, ২০৩০ বিশ্বকাপে ৬৪ দল অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। যদি সেই প্রস্তাব কার্যকর হয়, তাহলে দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় সব দেশই বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পেতে পারে। ফলে প্রচলিত বাছাইপর্বের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই কমে যাবে।
এ কারণেই কনমেবল নতুন একটি প্রতিযোগিতা চালুর কথা ভাবছে। উয়েফার নেশনস লিগের আদলে একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে দক্ষিণ আমেরিকার জাতীয় দলগুলো নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলবে। ২০২৮ কোপা আমেরিকার পাশাপাশি এই টুর্নামেন্টও বিশ্বকাপ চক্রের অংশ হতে পারে।
প্যারাগুয়ে ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রবার্ট হ্যারিসনও জানিয়েছেন, আয়োজক হওয়ায় উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে ইতোমধ্যেই বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে। তবে বাছাইপর্বের পরিবর্তে নতুন ধরনের প্রতিযোগিতা নিয়ে আলোচনা চলছে।