আইপিএলের লিগ পর্ব প্রায় শেষের দিকে। আর তাতেই জমে উঠেছে প্লে-অফের লড়াই। ১০ দলের টুর্নামেন্টে এখনো শীর্ষ চারে ওঠার আশা বেঁচে আছে ৮ দলের। ইতোমধ্যে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে লক্ষ্ণৌ সুপার জায়ান্টস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের।
চলুন দেখে নেওয়া যাক, কোন দলের সামনে কী সমীকরণ।
রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু
প্লে-অফের সবচেয়ে সহজ সমীকরণ এখন আরসিবির সামনে। ১২ ম্যাচে ৮ জয় নিয়ে টেবিলের শীর্ষে থাকা দলটি বাকি দুই ম্যাচের একটি জিতলেই নিশ্চিত করবে শেষ চার। আর দুই ম্যাচই জিততে পারলে প্রথম কোয়ালিফায়ারে খেলার সুযোগ পাবে তারা।
গুজরাট টাইটান্স
১৩ ম্যাচে ৮ জয় নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে গুজরাট। প্লে-অফ নিশ্চিত করতে চেন্নাইয়ের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি জিততেই হবে তাদের। হারলে জড়িয়ে যেতে পারে জটিল সমীকরণে।
সানরাইজার্স হায়দরাবাদ
১২ ম্যাচে ৭ জয় পাওয়া হায়দরাবাদের সামনে পরিষ্কার সমীকরণ। চেন্নাই ও আরসিবির বিপক্ষে বাকি দুই ম্যাচ জিতলেই নিশ্চিত হবে প্লে-অফ। একটি ম্যাচ জিতলে তাকিয়ে থাকতে হবে অন্য ফলাফলের দিকে।
পাঞ্জাব কিংস
১২ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট পাওয়া পাঞ্জাবকে বাকি দুই ম্যাচে আরসিবি ও লক্ষ্ণৌকে হারাতে হবে। এরপরও চেয়ে থাকতে হবে অন্য দলের দিকে। রাজস্থান ও চেন্নাইকে জয়হীন থাকতে হবে, আর কলকাতার পয়েন্ট যেন ১১-এর বেশি না হয় সেটিও চাইবে পাঞ্জাব। একটি ম্যাচ জিতলেও সমীকরণ আরও কঠিন হয়ে যাবে।
রাজস্থান রয়্যালস
১১ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট পাওয়া রাজস্থানের সামনে সুযোগ এখনো ভালোভাবেই আছে। প্লে-অফ নিশ্চিত করতে বাকি তিন ম্যাচেই জিততে হবে। তবে দুইটি বা একটি ম্যাচ জিতলেও সম্ভাবনা থাকবে, সেক্ষেত্রে নির্ভর করতে হবে অন্যদের হারের উপর।
চেন্নাই সুপার কিংস
লক্ষ্ণৌর বিপক্ষে হারের পর নিজেদের ভাগ্যের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে চেন্নাই। বাকি দুই ম্যাচ জিতলেও অন্য দলের ফল পক্ষে না এলে প্লে-অফে উঠতে পারবে না পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।
কলকাতা নাইট রাইডার্স
গুজরাটকে হারিয়ে ১১ পয়েন্ট পাওয়া কলকাতাকে বাকি দুই ম্যাচ জিততেই হবে। এরপরও তাকিয়ে থাকতে হবে চেন্নাই, পাঞ্জাব, রাজস্থান ও হায়দরাবাদের ফলাফলের দিকে। দুই ম্যাচ জিতেও বিদায় নিতে হতে পারে কেকেআরকে। একটি ম্যাচ জিতলে নেট রানরেটের জটিল হিসাবও সামনে আসবে।
দিল্লী ক্যাপিটালস
কাগজে-কলমে আশা বেঁচে থাকলেও বাস্তবে প্লে-অফের সম্ভাবনা প্রায় শেষ দিল্লীর। বাকি দুই ম্যাচ জিতলেও ঋণাত্মক ০.৯৯৩ রান রেট তাদের বড় বাধা। এছাড়া অন্য দলগুলোর ফলও পুরোপুরি পক্ষে আসতে হবে, যা প্রায় অসম্ভব।