মিরপুর টেস্টে আরেকটি স্মরণীয় অধ্যায়ের খুব কাছাকাছি গিয়েও থামতে হলো নাজমুল হোসেন শান্তকে। পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে দারুণ এক সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও শতকের পথে এগোচ্ছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। কিন্তু মাত্র ১৩ রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। আর তাতেই হাতছাড়া হয়েছে বিরল এক বিশ্বরেকর্ড স্পর্শের সুযোগ।
পাকিস্তানকে বড় লক্ষ্য দেওয়ার মিশনে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করছিল বাংলাদেশ। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ইনিংসের নেতৃত্বও দিচ্ছিলেন শান্ত। তবে নোমান আলীর ঘূর্ণিতে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে বল মিস করেন তিনি। বল আঘাত হানে প্যাডে, জোরালো আবেদনে আঙুল তুলে দেন আম্পায়ার। পরে রিভিউ নিয়েও বাঁচতে পারেননি টাইগার অধিনায়ক। ১৫০ বলে ৭ চারে ৮৭ রান করে থামতে হয় তাকে।
এর আগেও টেস্টে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির কীর্তি আছে শান্তর। ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মিরপুর টেস্টে করেছিলেন ১৪৬ ও ১২৪ রান। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছিল রেকর্ড ৫৪৬ রানের ব্যবধানে। এরপর ২০২৫ সালের জুনে গল টেস্টে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেছিলেন ১৪৮ ও ১২৫ রানের দুটি ইনিংস।
মিরপুর টেস্টে আরেকবার দুই ইনিংসে সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে থামায় ইতিহাসের পাতায় নাম লেখানোর সুযোগ হারালেন শান্ত। যদি এই ইনিংসেও সেঞ্চুরি পেতেন, তাহলে বিশ্বের মাত্র চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে তিন আলাদা টেস্টে জোড়া সেঞ্চুরির কীর্তি গড়তেন তিনি। এখন পর্যন্ত এই তালিকায় আছেন কেবল সুনীল গাভাস্কার, রিকি পন্টিং ও ডেভিড ওয়ার্নার।
শান্তর বিদায়ের পর বেশিক্ষণ ব্যাট করেনি বাংলাদেশ। ৯ উইকেটে ২৪০ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে স্বাগতিকরা। ফলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৬৮ রান। দ্বিতীয় ইনিংসে শান্তর ৮৭ রানের পাশাপাশি মুমিনুল হক করেন ৫৬ রান। পাকিস্তানের হয়ে হাসান আলি ও নোমান আলি নেন ৩টি করে উইকেট।