দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত সাত জেলার ৫৯ উপজেলা বন্যাকবলিত হয়েছে। এতে এক লাখ ৫৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি ও এখন পর্যন্ত ৫৪ জন মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সচিবালয়ে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তার ত্রাণ ভাণ্ডার থেকে প্রতিটি জেলার জন্য ২০ লাখ টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছেন।
এবার বর্ষায় টানা বর্ষণে দেশের দক্ষিণ–পূর্ব এবং উত্তর–পূর্বাঞ্চলে বন্যা দেখা দিয়েছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, মৌলভীবাজার বন্যার কবলে পড়েছে। এখন পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে আসছে ক্ষতির চিত্র। সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাসহ তার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘ইতিমধ্যে ত্রাণ পরিচালনার জন্য এক কোটি ৭৫ লাখ টাকা তাৎক্ষণিক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া চাল ও শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে।’
অন্যদিকে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘চট্টগ্রাম অঞ্চলে বন্যায় ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে গেছে। তবে সরকারি জায়গায় দ্রুত পরিসরে বীজতলা তৈরি করে কৃষকদের মধ্যে ধানের চারা বিতরণ করা হবে।’
এ ছাড়া গরু ও ছাগলের খাবার সংকটের কারণে খর ও ঘাসের যোগান দেবে সরকার, এ কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘প্রাণীদের খুরা রোগ থেকে বাঁচাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।’
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনাসহ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা ও মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।’