প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারী শিক্ষার অগ্রগতির জন্য ইন্টারমিডিয়েট পর্যন্ত মেয়েদের লেখাপড়া ফ্রি করে দিয়েছিলেন। আমরা তারই ধারাবাহিকতায় মেয়েদের লেখাপড়া ডিগ্রি পর্যন্ত বিনামূল্যে করে দেব। শুধু ডিগ্রি পর্যন্ত ফ্রি-ই করব না, যে মেয়েরা ভালো ফল করবে, তাদের জন্য আমরা উপবৃত্তির ব্যবস্থাও করব।’
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা ১২টার দিকে যশোরের শার্শা উপজেলার উলশী খাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে এক সুধী সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণে ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ খাল পুনঃখনন করা হয়।
সুধী সমাবেশে তারেক রহমান আরও বলেন, ‘আমরা বলেছিলাম খাল খনন করব। আমরা ওয়াদা রক্ষা করেছি। আমরা খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। আজকে এখানে শুরু করলাম। এর আগে দিনাজপুর দিয়ে আমি খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলাম। মা-বোনদের শিক্ষার পাশাপাশি স্বাবলম্বী করার জন্য আমরা ফ্যামিলি কার্ড দেব বলেছিলাম। সেটার কাজও আমরা শুরু করেছি।’
সমাবেশে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল, পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।
১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর শার্শা উপজেলার উলসী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ খাল স্বেচ্ছাশ্রমে খনন করেছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক পর খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে।